বাংলা হেডলাইনস ডেস্ক -জাতীয় নির্বাচনের পর প্রায় নিরুত্তাপ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশের রাজনেতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হতে শুরু করছে প্রধান রাজনেতিক দল ও জোট গুলোর সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে।
২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের পরে রাজনেতিক দলগুলো বিশেষ করে প্রধান বিরোধী
দল বিএনপি এবং এর নেতৃতাধীন জোট জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট নিস্তেজ হয়ে পড়ে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পারস্পারিক দোষারোপে লিপ্ত হয়।আজ বুধবার জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশী কুটনীতিকদের সাথে বৈঠক করে দেশের বর্তমান রাজনেতিক পরিস্স্থিতি নিয়ে আলোচনা করে।
সকাল ১০ টায় শুরু হওয়া প্রায় দুই ঘণ্টা ব্যাপী বৈঠকের পর ঐক্য ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ডঃ কামাল হোসেন
সাংবাদিকদের জানান তারা কুটনিতিকদের সাথে দেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মইন খানের গুলশানের বাসভবনের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র,যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং ইউরপিয়ান ইউনিয়ানের কুটনিতিকরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর , জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রবসহ আরও নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আসম আব্দুর রব সাংবাদিকদের বলেন এই পার্লামেন্ট এবং সরকারের বৈধতা নেই ।বাক-স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের এবং সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নেই ।
ক্ষমতাসীন আওয়ামি লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও কৃষি মম্ন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক আজ তার দপ্তরে কুটনিতিকদের সাথে বৈঠকের ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলেন এই মুহূর্তে কূটনীতিকরা বাংলাদেশে কোন শৃংখল ও ধংসাত্মক কাজে সমর্থন করবে না।
এদিকে আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ অন্য এক অনুষ্ঠানে বলেন বিএনপি ক্রমেই ভোটের রাজনিতীতে আরও সংকুচিত হচ্ছে এবং অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে ।তাই এখন তারা আবোল তাবোল বকছে।
অপর দিকে সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হওয়াকে কেন্দ্র করে
দলের আভ্যন্তরিণ কোন্দল প্রকাশ্যরূপ ধারণ করেছে ।জাপার সিনিয়র কো চেয়ারপার্সন এবং স্ংসদের বর্তমান বিরোধী দলের উপ্ নেতা রওশন এরশাদ এবং জাপার বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদের উভয়ই সংসদের স্পিকারের কাছে আলাদা ভাবে চিঠি দিয়েছে তাদের সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার আসনের জন্য ।
আগামী ৮ই সেপ্টেম্বর ১১তম সংসদ অধিবেশনে বসবে।