বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড বায়তুল আমান জামে মসজিদ পুন:নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন করছে মসজিদটির মুসুল্লী ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ডের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই মানববন্ধনে অংশ নেন জেলার ওলামা মাশায়েখ সমন্বয় পরিষদ, ইমাম সমন্বয় পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং জেলার সর্বস্তরের কয়েকশ মুসলমান।দুই ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক লিয়াকত আলী ভান্ডারী, মানিকগঞ্জ সদর উপজেরা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা ইসলাম, মানিকগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোনায়েম খান, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শামীম হোসেন, ওলামা মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব বশির রেজা, মসজিদ কমিটির সভাপতি খবিরুল আলম চৌধুরী, মানিকগঞ্জ বাজার সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, হাজী আবদুস সাত্তার, জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল জলিল, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক হানিফ আলী, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খলিলুর রহমানসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও মসজিদের ইমামবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, পুননির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সড়ক উন্নয়নের নামে মসজিদটি অপসারণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও জেলা প্রশাসন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মসজিদটি পুননির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। বরং, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ এলাকাবাসী নিজ অর্থায়নে জমি কিনে এবং মসজিদের জন্য দানকৃত জমির ওপর মসজিদটি পুন:নির্মানের উদ্যোগ নিলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে বাঁধা দেয়া হয়। তারা বলেন, ভূমি রেকর্ডের বিদ্যমান খতিয়ান- এস.এ আর.এস-কে পাশ কাটিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সি.এস খতিয়ান অনুসরণ করে যায়গাটি নিজের দাবী করছে। তারা বলেন, প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা একশ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি সরকারের চলমান উন্নয়নকে নস্যাৎ করার জন্য এই ধরণের স্পর্শকাতর বিষয়ে আঘাত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জ বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় প্রায় ৪০ বছরের পুরনো বায়তুল আমান জামে মসজিদটি প্রতিশ্রুতি দিয়ে সড়ক উন্নয়নের নামে উচ্ছেদ করেছিল জেলাপ্রশাসন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে মসজিদটি পুননির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।
এদিকে মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে সড়ক উন্নয়নের স্বার্থে ওই মসজিদসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে যা এখনও চলমান রয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের পরবর্তী কোন সিদ্ধান্ত এলে অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করা হবে।