বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ায় বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ আসলেও এর দামে প্রভাব পড়েনি।প্রতিদিনই এর দাম বেড়ে চলেছে। রান্নায় অতি প্রয়োজনীয় এ কাঁচা মালের দাম বৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তবে কাঁচা মরিচের মূল্য কিছুটা কম হওয়ায় স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া শহরের প্রধান কাঁচা মালের বাজার রাজাবাজারে আড়তে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিটি আড়তে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে। তবে দাম কমার চেয়ে বেড়েছে। ‘আল্লাহর দান’ আড়তের (পাইকারি বিক্রেতা) মালিক আবদুর রহমান রুনু জানান, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দেশী পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা,. মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ও মিশরের লাল পেঁয়াজ ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, নতুন পেঁয়াজ বাজারে পর্যাপ্ত উঠলেই দাম কমে আসবে।
খুচরা ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম, মোজাহার হোসেন, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ জানান, প্রতি কেজি পেঁয়াজে ৫ টাকা থেকে ১০ টাকা মূল্য বেড়েছে। তারা দেশী পেঁয়াজ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি করছেন। তারাও জানিয়েছেন, নতুন পেঁয়াজ ঠিকমত বাজারে এলে মূল্য কমে যাবে।
অন্যদিকে কাঁচা মরিচের দাম মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। কয়েকদিন আগে কাঁচা মরিচের দাম আরো বেশি ছিল। ফতেহ আলী বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ মামুন, রাশেদুল ইসলাম, কবির উদ্দিন প্রমুখ জানান, তারা রাজাবাজার থেকে কাঁচা মরিচ পাইকারী ২৬-২৮ টাকা কেজিতে কিনে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করছেন।
এদিকে শহরের সুলতানগঞ্জপাড়ার গৃহবধু ডালিয়া নাসরিন, মনিরা আকতার, কাটনারপাড়ার পপি খাতুন, নামাজগড়ের জেসমিন আকতার প্রমুখ অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন রান্নায় অতি প্রয়োজনীয় পেঁয়াজের মূল্য বেড়েই চলেছে।