বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সোনাতলায় জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত সফুরা বেওয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা সোমবার সকালে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মারা গেছেন।
গত রোববার দুপুরে উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের সোনাকানিয়া গ্রামে ওই ঘটনার সময় বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় অন্তত নয় জন আহত হয়েছেন। সোনাতলা থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাসউদ চৌধুরী শুধু ওই বৃদ্ধা নিহতের সত্যতা নিশ্চিত কর বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় আনা হয়েছে। বিকালে এ খবর পাঠানো পর্যন্ত মামলা হয়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, সোনাতলা উপজেলার সোনাকানিয়া গ্রামের মৃত কাশেম মন্ডলের ছেলে ও অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মৃত ফজল হকের ছেলে আব্দুল হালিম মাস্টারের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিভিন্ন সময় সংঘর্ষ হয়েছে এবং আদালতে মামলাও চলছে। এ বিরোধের জের ধরে রোববার দুপুরে হালিম মাষ্টারের লোকজন প্রতিপক্ষ অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা মারপিট, আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করে। হামলায় অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম (৪৮), তার স্ত্রী তহমিনা (৪২), মা সফুরা বেওয়া (৬৫), দুদু মিয়ার ছেলে মাফিল (৪০), মিনহাজ সরকারের ছেলে রশিদ সরকার (৩৫), কাশেম মন্ডলের ছেলে জাহিদুল ইসল(৪০), মৃত সামাদের ছেলে সামসুল আলম (৫৫), টুকু মন্ডলের ছেলে এরফান (৪৫), হেলালের স্ত্রী রেবেকা বেগম (৩০), মিনহাজ সরকারের স্ত্রী রওশন আরা (৫৫) আহত হন। এদের সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে সোমবার সকাল ৮টার দিকে সফুরা বেওয়া মারা যান।
সোনাতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন শহিদুল ইসলাম বলেন, কেনা জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।ওই জমি দখলের জন্য প্রতিপক্ষের লোকজন অতর্কিতভাবে তার পরিবারের উপর হামলা করে। এতে তার মা নিহত হন। হালিম মাস্টার বাড়িতে না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সোনাতলা থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাসউদ চৌধুরী জানান, বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। জমি নিয়ে বিরোধে মারামারি হয়েছে। এতে ২-৩ জন আহত হন। এদের মধ্যে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। তার লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হামলায় জড়িত সন্দেহে তিন জনকে থানায় আনা হয়েছে। মামলা হয়নি।