বাংলা হেডলাইনস : বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৮ বছর পর রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রথম পর্যায়ে ১০,৭৮৯ জন রাজাকারের নাম প্রকাশ করেছে।
দুপর ১২ টার দিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক সচিবালয়ে তাঁর মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রথম পর্যায়ে ১০, ৭৮৯ জন রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করেন।
রাজাকারের তালিকাটি পাওয়া যাবে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে-www.molwa.gov.bd
১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাস বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশীয় রাজাকাররা পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর সাহায্যকারী বাহিনী হিসেবে কাজ করে। রাজাকাররা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের নিরীহ আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা কে নির্মম ভাবে হত্যা, নারীদের ধর্ষণ, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া, লুটপাট সহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিল।
রাজাকারদের নামের তালিকা প্রকাশ ছিল সময়ের দাবি। ১৯৭১ সালে রাজাকারদের মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের রেকর্ড ও দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে রাজাকারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন সরকারের হেফাজতে যেগুলো (রাজাকারদের নাম) পাওয়া যায় , যে সমস্ত দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যাবে তাই শুধু প্রকাশ করা হবে।
তিনি বলেন জেলা প্রশাসকদের কোন তালিকা প্রস্তুত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় নাই। বলা হয়েছে তাঁদের রেকর্ড রুমে ঐ সময় যে সমস্ত রেজুলেশন হয়েছে, তালিকা হয়েছে, সেই সমস্ত রেকর্ড রুমের সংরক্ষিত তালিকা দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য।
মন্ত্রী অভিযোগ করেন যে জামায়াত ইসলাম, বিএনপি জোট যে ক্ষমতায় এসেছে তারা অত্যান্ত সচেতন ছিলেন, তারা অত্যান্ত সুকৌশলে সরকারের সেই সমস্ত রেকর্ডপত্র (রাজাকারদের রেকর্ড), সেই ৭১ এর রেকর্ডপত্র সরিয়ে নিয়েছে। যেমন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও কিছু রেকর্ডপত্র খোয়া গেছে বলে প্রাথমিক ভাবে আমাদের ধারণা হয়েছে।