বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়ার সারিয়াকান্দির জামিয়া সিদ্দিকিয়া ক্বওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানার পরিচালক মাওলানা আবদুল খালেকের বিরুদ্ধে এক শিশু ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পাবার পর পরিচালনা কমিটি শুক্রবার রাতে মাদ্রাসায় বৈঠক বসে। খবর পেয়ে পুলিশ এলে পরিচালক পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় অভিভাবকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারা অভিযুক্ত পরিচালক আবদুল খালেককে অবিলম্বে গ্রেফতার ও তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
পরিচালকের লালসার শিকার ওই ছাত্র ও তার অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য পরিচালক মাওলানা আবদুল খালেক কয়েকদিন আগে ৫ ছাত্রকে নিয়ে ধান-চাল সংগ্রহের জন্য নন্দীগ্রাম উপজেলায় যান। সারাদিন আদায় শেষে তারা উপজেলার অমলপুর গ্রামের ইসাহাক নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে রাত্রি যাপন করেন। সেখানে পরিচালক এক ছাত্রকে বলাৎকার করেন। ছাত্র লজ্জায় বিষয়টি গোপন রাখে। গত শুক্রবার মাদ্রাসার এক শিক্ষক বলাৎকারের ঘটনা জানতে পেরে ফোনে অভিভাবকদের অবহিত করেন। ঘটনাটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানালে এ নিয়ে রাতে বৈঠক বসে। খবর পেয়ে সারিয়াকান্দি থানার পুলিশ সেখানে গেলে অভিযুক্ত মাওলানা খালেক পালিয়ে যান।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম বলেন, এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ায় শুক্রবার রাতে বৈঠকে বসা হয়েছিল। তিনি বলেন, ঘটনাটি তার কাছে ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে। সারিয়াকান্দি থানার এসআই আবু হেলাল জানান, সংবাদ পেয়ে ফোর্স নিয়ে মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন। কিন্তু টের পেয়ে মাওলানা আবদুল খালেক পালিয়ে যান। মাদ্রাসার পরিচালক অভিযুক্ত খালেক আত্মগোপন ও মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।