বাংলা হেডলাইনস: আজ ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। রাজধানী ঢাকায় তৎকালীন তেজগাঁও বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে বহনকারী বিমান অবতরণ করে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয় পূর্ণতা লাভ করে।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারগার থেকে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি মুক্তি পেয়ে লন্ডন ও দিল্লি হয়ে ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। সেই থেকেই এ দিনটি জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে। ১০ জানুয়ারি বাঙালির জীবনে চিরস্মরণীয় এক ঐতিহাসিক দিন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
তিনি আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের পর স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা দলের কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদীতে আরেকটি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
এরপর একে একে আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন সহযেগী সংগঠন যেমন মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর এবং দক্ষিণ,যুব লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ,কৃষক লীগ সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে জাতির পিতার প্রতিকৃতির বেদী।
বঙ্গবন্ধুর এবারের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপনে ভিন্নতা নিয়ে এসেছে ‘মুজিব বর্ষ। এ বছর ১৭ মার্চ জাতির পিতার এক বছরব্যাপী জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু হবে। জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের ‘ক্ষন গণনা’ (কাউন্টডাউন) শুরু হচ্ছে আজ শুক্রবার থেকে। বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে প্রধানমন্ত্রী এবং জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা এই ‘ক্ষণ গণনা’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।