শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
চীন-মালয়েশিয়া সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ কি না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে: উপদেষ্টা জাহেদ শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ‘নব্য ফ্যাসিবাদকে’ বিদায় জানাতে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জামায়াত আমির জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি: মির্জা ফখরুল সরকার ইতোমধ্যে অনেক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে : জামায়াত আমির এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষাবোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র হবে: শিক্ষামন্ত্রী

মানিকগঞ্জে জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে জাল দলিল।।ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার গ্রেফতার

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৬৭৫ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ: জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে ভূয়া ওয়ারিশান সনদ বানিয়ে জাল দলিলে এক সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখলের অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে মানিকগঞ্জের  সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন এবং ইউপি সদস্য ফজলুল হককে।

সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতাউর রহমান জানান, ২০১৭ সালে জালিয়াতি মামলায় মঙ্গলবার বিকেলে সায়েস্তা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন এবং ইউপি সদস্য ফজলুল হককে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরনে জানা গেছে ২০১৭ সালের ১১ মে মানিকগঞ্জ  জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩ নং আদালতে  মামলা দায়ের  করেন অদিতি রায়। ওই মামলায়  আসামি করা হয়েছিল  সায়েস্তা ইউপি চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন চোকদার, চেয়ারম্যানের ছেলে তুহিন চোকদার, ইউপি সদস্য মনছের আলী, আব্দুল মান্নান, ফজলুল হক শামীম, ধামরাই সুয়াপুরের আব্দুল খালেক, মোসলেমাবাদের নাজমুল, দক্ষিন চারিগ্রামের দুলাল হোসেন এবং সাহরাইলের গোপাল সাহার বিরুদ্ধে। এছাড়া সিংগাইর উপজেলা  সাব-রেজিস্ট্রার মোস্তাফিজ আহমেদকেও আসামি করা হয়েছিল জাল দলিল সম্পাদন করার অভিযোগে। প্রথমে থানায় এবং পরবর্তীতে মামলাটি হস্তান্তর করা হয় সিআইডিতে। 

সিআইডি দীর্ঘ দিন মামলাটি তদন্ত করে মামলায় অভিযোগের সত্যতা পান এবং আসামিদের গ্রেফতার করেন।  

মামলার বাদীর অভিযোগ, তার পিতা অমিত কুমার রায় জীবিত আছেন। সিংগাইরের সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদের পাশে তার পিতার নামে ১২ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির মধ্যে ৬ শতাংশ জমি সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদ দখল করে রেখেছে। বাকী ৬ শতাংশ জমি ১৯৯৮ সনে সমশের নামে এক ব্যক্তি কাছে ভাড়া দিয়েছেন। ওই জমিটি অধিক মূল্যবান হওয়ায় নজর পড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের। চেয়ারম্যান মোসলেম  চোকদার তার পিতাকে মৃত দেখিয়ে পিতার নাম অমিত নাথ রায় উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়  অজিত নাথ রায় নামে একজনকে তার ভাই বানিয়ে ওয়ারিশান সনদ দেয়। ওই ওয়ারিশনের বলে অজিত নাথকে  দাতা সাজিয়ে সিংগাইর সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে চেয়ারম্যান তার পুত্র তুহিন এবং  ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান,ফজলুল হক উক্ত জমি  সাফ কবালা দলিল করে নামজারি ও জমা ভাগ করে নেন।

এরপর তাদের ভাড়াটিয়ে মুদি দোকানদার মো: সমসের আলীকে উচ্ছেদ করে  সম্পত্তি জবর দখল করে। অথচ অজিত নাথ রায় বলে কোন ভাই কিংবা ওয়ারিশান নেই। এমন কি অজিত নাথ নামে যাকে ভুয়া দাতা বানানো হয়েছে তার ভোটার আইডি কার্ড ছাড়াই সাবরেজিষ্টার সাব-রেজিস্ট্রার তাড়াহুড়ো  করে তাদের নামে দলিল সম্পাদন করে দেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com