শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীকে অশোভন ভাষায় আক্রমণ করছে বিরোধীরা: রিজভী রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রী-এমপিদের বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিলে ‘বাধা দেব’: শফিকুর প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএর প্রথম দিন ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন: মাহ্দী আমিন জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি শুরু জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী ন্যাম ভবন থেকে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন নয় : জামায়াত ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ অপতৎপরতায় সরকার শংকিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্যাংক হিসেব না খুলতে পারায় শতাধিক শিক্ষার্থীর বৃত্তির অর্থপ্রাপ্তি অনিশ্চিত

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫৭১ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংক হিসেব খুলতে না পারায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থীর বৃত্তির অর্থপ্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে বৃত্তিপ্রাপ্ত ওই সকল শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় ৫৪টি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

এসব বিদ্যালয়ে প্রায় চার সহস্রাধিক শিক্ষার্থী মেধা ও সাধারণ বৃত্তি পেয়ে থাকে। বৃত্তিপ্রাপ্ত এসব শিক্ষার্থীরা আগে বৃত্তির টাকা স্কুলের মাধ্যমে পেয়ে থাকলেও সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ নামে ব্যাংক হিসেবে তা প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেয়। এজন্য ২০ জানুয়ারি মধ্যে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নামে ব্যাংকে হিসাব খুলে তাদের তালিকা ই-মেইলে শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।

কিন্ত নির্ধারিত তারিখে এ উপজেলার অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী তাদের নামে ব্যাংক হিসেব খুলতে ব্যর্থ হয়। ফলে এসব শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ প্রাপ্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মির্জাপুর সরকারি এস কে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির মেধা বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সৌরভ ও মির্জাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহসীনা রহমান সারার অভিভাবক  যথাক্রমে আবু সাঈদ ও খলিলুর রহমান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আমাদের সন্তানরা বৃত্তি পেয়েও সেই অর্থ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হলো। তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, এজন্য দায়ী কে হবেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসেবে খুলার নির্দেশটি পাওয়ার সাথে সাথে উপজেলার প্রত্যেক বিদ্যালয়ে তা প্রেরণ করা হয়। কিন্ত সময়ের স্বল্পতাসহ বিভিন্ন কারণে এ উপজেলায় অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী ব্যাংক হিসেব খুলতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন। এ ব্যাপারে সময় বৃদ্ধির জন্য উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্শন করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com