বাংলা হেডলাইনস : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘দেশে এই মুহূর্তে স্ক্রিনিং করা ছাড়া কাউকেই দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।‘
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন।
তিনি বলেন বিদেশ ফেরত সকল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য প্রবেশ গেটে স্ক্রিনিং মেশিন বসানো হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩টি স্ক্রিনিং মেশিন রাখা আছে। এর একটি ভিআইপি প্রবেশ দ্বারে, একটি সাধারণ প্রবেশ দ্বারে এবং অন্যটি স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। একই ভাবে দেশের অন্যান্য স্থল, নৌ বন্দরেও স্ক্রিনিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন এরপরও বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতলে একটি আলাদা আইসোলেটেড কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
জাহিদ মালেক বিমানবন্দরে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি করে করোনা ভাইরাস নির্দেশিকা গাইড রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরি হটলাইন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে এই মুহুর্তে আমাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, তথ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।’
দেশের চিকিৎসকদের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরো বলেন, ‘ডেঙ্গুর সময় আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে সফলতা দেখিয়েছে তা বিশ্বে বিরল। করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় দেশের মেডিসিন সোসাইটি আগে থেকেই যে রকম প্রস্তুতি নিয়েছে এবং চিকিৎসকদের ভাইরাসটির চিকিৎসা নিয়ে প্রশিক্ষণদিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসার সকল ক্ষেত্রেই চিকিৎসকদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আহমেদুল
কবীরের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আসাদুল ইসলাম। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ এবং স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন। সভায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রফেসর তারিকুল ইসলাম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর রোবেদ আমীন।