বাংলা হেডলাইনস: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্বোধন অনুষ্ঠান ‘মুক্তির মহানায়ক’ ১৭ই মার্চ রাত ৮টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন-সহ সকল বেসরকারি টেলিভিশন, সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়ায় একযোগে সম্প্রচারিত হবে।
এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় উৎসবমুখর পরিবেশে, তবে জনসমাবেশ পরিহারপূর্বক সীমিত আকারে জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
১৭ই মার্চ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তোপধ্বনি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সকল সরকারি, বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হবে, তথ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এছাড়া মসজিদ, মন্দির, গির্জা-সহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে খাবার/মিষ্টান্ন বিতরণ এবং হাসপাতাল, কারাগার, শিশু পরিবার ও এতিম খানায় মিষ্টান্ন বিতরণ ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে।
স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক গৃহহীনদের মধ্যে গৃহ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জনসমাবেশ ব্যতিরেকে আতশবাজির আয়োজন করা হবে। মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তাদের ভবনে ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, উদ্ধৃতি, জন্মশতবার্ষিকীর লোগো সংবলিত সামঞ্জস্যপূর্ণ মাপ অনুযায়ী ড্রপডাউন ব্যানার ব্যবহার ও মুজিববর্ষ উদ্যাপনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদির মাধ্যমে সজ্জিতকরণ করা হবে।
সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থা/প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা, সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে নিজস্বভাবে সীমিত আকারে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, যেমন: আলোচনা অনুষ্ঠান, দেয়াল পত্রিকা/স্মরণিকা প্রকাশ, কুইজ, রচনা, বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, মিষ্টান্ন বিতরণ, দুপুরের খাবার ইত্যাদির আয়োজন এবং ওয়েবসাইটে প্রদত্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর নির্মিত ভিডিও ক্লিপিংস/ফুটেজ প্রচার করা হবে। স্থানীয়ভাবে স্যুভেনির, গ্রন্থ, স্মরণিকা, দেয়াল পত্রিকা ইত্যাদি প্রকাশ করা হবে।