বাংলা হেডলাইনস: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া মুক্তি পেয়েছেন।
আজ বিকেল ৪:২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া মুক্ত অবস্থায় বের হন। সরকার তাঁর সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে ফলে তিনি মুক্তি পান।
করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য নির্দেশিত সামাজিক দূরত্ব ভঙ্গ করে খালেদা জিয়াকে দেখার ও স্বাগত জানানোর জন্য বিএসএমএমইউ হাসপাতালের আঙ্গিনায় বিএনপি নেতাকর্মীরা ভিড় করে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দূরত্ব বজায় রাখতে বললেও নেতাকর্মীরা কর্ণপাত করেনি।
এমনকি বিএনপি নেতা বিশেষ করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও নেতাকর্মীরা প্রচণ্ড ভিড় করে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান।
খালেদা জিয়া মোটরকেডে সরাসরি তাঁর গুলশানস্থ বাসায় যান।
গতকাল আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে খালেদা জিয়ার বয়স বিবেচনায় নিয়ে ও মানবিক কারণে সদয় হয়ে দু’টি শর্তে তাঁর দণ্ডাদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার উপধারা ১ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার জন্য নির্বাহী আদেশে মুক্তি চেয়ে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে সরকারের কাছে একটি আবেদন করা হয়েছিল। এরপর খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার, তাঁর বোন সেলিমা ইসলাম এবং তাঁর বোনের স্বামী রফিকুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে এ বিষয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন এবং সেখানে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি পাওয়ার শর্ত দু’টি হচ্ছে তিনি ঢাকাস্থ নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন এবং উক্ত সময়ে তিনি দেশের বাইরে গমন করতে পারবেন না। তবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে পারবেন। হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধা নেই।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী খালেদা জিয়া একটি দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের সাজা পেয়ে কারাবন্দি হন।