বাংলা হেডলাইনস: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে নিয়মিত জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃক ২২ মার্চ থেকে পাঁচটি ওয়াটার বাউজারের সাহায্যে তরল জীবাণুনাশক প্রয়োগের কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এ পর্যন্ত ৫ লাখ ২০ হাজার লিটার তরল জীবাণুনাশক প্রায় ৭৮ লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে ছিটানো হয়েছে।
এ সময় প্রধান সড়ক, উন্মুক্ত স্থান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে যেমন স্প্রে করা হয়েছে তেমনি জনগণ যাতায়াত করে এমন সকল অবকাঠামোতেও জীবাণুনাশক দেওয়া হচ্ছে, যেমন ফুটওভার ব্রিজে বা যাত্রী ছাউনিতে।
যেখানে ওয়াটার বাউজার দিয়ে ছিটানো যায় না সেখানে হ্যান্ড স্প্রে এবং হুইলব্যারো মেশিনের সাহায্যে জীবাণুনাশক দেওয়া হচ্ছে। সড়কে থাকা বিভিন্ন যানবাহন, গণপরিবহনে, বাস টার্মিনালগুলোতেও স্প্রে করা হচ্ছে।
আজকেও ডিএনসিসি কর্তৃক ৮টি গাড়ি দিয়ে ১৬টি ট্রিপের মাধ্যমে ১ লাখ ৬০ হাজার লিটার জীবাণুনাশক প্রায় ২৪ লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে স্প্রে করা হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনও (ডিএসসিসি) নিয়মিত তরল জীবাণুন ছিটানোর কার্যক্রম শুরু করেছে। ডিএসসিসি বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে পূর্ব থেকেই ধুলাবালি মুক্ত করার লক্ষ্যে পানি ছিটানোর কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বর্তমানে ব্লিচিং তথা ক্লোরিন মিশ্রিত জীবাণুনাশক ছিটানো হচ্ছে।
আজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃক ৮টি গাড়ির সাহায্যে মোট ৪৮টি ট্রিপের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার লিটার তরল জীবাণুনাশক ছিটানো হয়।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কর্তৃক জীবাণুনাশক ছিটানোর এ কার্যক্রম নিয়মিত চলবে।
গতকাল স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম ডিএনসিসির ৭ নং ওয়ার্ডে ডিএনসিসির নবনির্বাচিত মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত মেয়রকে সাথে নিয়ে জীবাণুনাশক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এদিকে করোনাভাইরাসের বিস্তার ও সংক্রামণরোধে ঢাকা শহরের রাস্তাঘাটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশল বিভাগের ০৮টি গাড়িতে করে ব্লিচিংপাউডার মিশ্রিত জীবাণুনাশক পানি ছিটানো হচ্ছে।