বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ: ১০ দিনের ছুটি শেষে খোলা হচ্ছে কলকারখানা আগামীকাল! সারাদেশে গণপরিবহণ বন্ধ এরই মধ্যে শ্রমিকরা পড়েছে বিপাকে। করোনা সংক্রমণে মৃত্যু ভয় এড়িয়ে কর্মস্থলে ছুঁটতে বাধ্য হচ্ছে হাজারো শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ।
আজ শনিবার আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাটে দেখা মিলে রাজধানী ঢাকামুখী কর্মজীবী মানুষের ঢল।
করোনা মোকাবেলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকায় এরা খোলা পিকআপ, পন্যবাহী ট্রাক ও রিক্সা-ভ্যানে চেপে গাদাগাদি করে ঢাকায় ফিরছে। পরিবহন স্বল্পতায় অনেকেই দল বেঁধে পায়ে হেটে রওনা দিচ্ছে ঢাকার পথে।
জীবিকার প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন এরা। এতে সংক্রমন ছড়ানোর আশংকা করেছেন অনেকে।
জননিরাপত্তায় পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্তা ব্যক্তিরা জানান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে প্রচার-প্রচারনাসহ সকল ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও ঠেকানো যাচ্ছে না এদের। কোন বাঁধাই মানছেন না কর্মমুখী মানুষ।
এদিকে, সারা দেশের ন্যায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে আঞ্চলিক গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।

যাত্রা রোধে কিছু-কিছু পয়েন্টে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজাও দেয়া হয়েছে অনেক পরিবহন মালিক-শ্রমিককে।
ঢাকাগামী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রবিবার গার্মেন্টস খোলা রয়েছে। করোনার সর্তকতায় সরকার সাধারন ছুটি ঘোষনা করলেও গার্মেন্টস বন্ধ রাখা হয়নি।
তাদের গত মাসের বেতনও দেয়া হয়নি। রবিবার কাজে যোগ না দিলে বেতন পাবেন না। বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে তারা কর্মস্থলে ছুটছেন। করোনার সংক্রমন ঘটতে পারে জেনেও তারা নিরুপায় হয়ে কর্মস্থলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
জেলা প্রশাসক এস, এম ফেরদৌস বলেন, সকাল থেকেই দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জেলা থেকে নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে আসছে মানুষ।
প্রশাসনের কোন হস্তুক্ষেপই তারা মানছে না। দ্রুত ঘাট এলাকাসহ মহাসড়কের আশপাশ ত্যাগ করে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।