বাংলা হেডলাইনস রাজশাহী : হেড নার্স করোনাভাইরাসে আক্রান্তের পর রাজশাহীর পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অবরুদ্ধ (লকডাউন) করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩১ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সুপারিশ এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর সকল সংস্থার মতামতের ভিত্তিতে কোয়াটার লকডাউন করে আদেশ জারি করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন । আর স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকল কার্যক্রম সাতদিনের জন্য বন্ধ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত পবা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়াটারে কেউ প্রবেশ বা বের হতে পারবেনা। তবে খাবর চিকিৎসা এবং খাদ্য সরবরাহ ও সংগ্রহ আওতামুক্ত থাকবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাবেয়া বসরী বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়াটার লকডাউন করা হয়েছে। সেখানে নয়টি পরিবার রয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সাতদিন বন্ধ করে ৩১ জনকে কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। এই সাতদিনের মধ্যে সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা ও হাসপাতালে জীবাণুনাশক স্প্রে করে জীবাণুমুক্ত করা হবে।
জানা গেছে, হেড নার্স মাহমুদা বেগম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব স্থানে যাতায়াত ছিল। এ জন্য বুধবার পবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়াটার লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এই সঙ্গে হাসপাতালের কার্যক্রম সিমিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও সম্প্রতি তার সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের কোয়ারেন্টিনে নেয়াসহ নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজশাহীতে গত ১২ এপ্রিল প্রথম করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) রোগী শনাক্ত হয়। সর্বশেষ গত ২৮ এপ্রিল আরও চার জন আক্রান্ত রোগি শনাক্ত হওয়ার পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ছয় জন নারী ও সাত জন পুরুষ।
এদের মধ্যে পুঠিয়া উপজেলায় পাঁচজন, বাগমারায় একজন, মোহনপুরে চার জন ও বাঘা উপজেলায় এক জন, তানোরে এক জন ও পবায় এক জন। এদের মধ্যে রোববার সকালে বাঘার আব্দুস সোবহান মারা যান।