বাংলা হেডলাইনস: কক্সবাজারের টেকনাফে ঘাসফড়িং সদৃশ পোকার উপস্থিতি তদন্তে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কীটতত্ত্ববিদদের সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি দল আজ টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে।
পাশাপাশি, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) থেকেও পৃথক পৃথক টিম রওয়ানা দিয়েছে।
ঘাসফড়িং সদৃশ লোকাস্ট গোত্রের স্থানীয় এই পোকার শনাক্তকরণ-সহ এর আক্রমণ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংসে এই টিম কাজ করবে, তথ্য আধিদফতরের এক প্রেস রিলিজে জানানো হয়।
অতিসম্প্রতি টেকনাফে এসব পোকা দেখা দেওয়ায় কৃষি মন্ত্রণালয় এটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজারের উপপরিচালক এ বিষয়ে জানান, গতকাল কীটনাশক স্প্রে করার পর গাছে থাকা পোকাগুলো মারা যায়। সেখানে আর কোনো জীবিত পোকা নেই বলেও তিনি জানান।
এই পোকা তেমন ক্ষতিকর নয় মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এসব পোকা মরুভূমির ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপাল জাতীয় কোনো পোকা নয়। এ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ইতোমধ্যে হাওরের প্রায় ৭৭% বোরো ধান কর্তন শেষ হয়েছে। পাকা অবস্থায় রয়েছে ১০% এবং এখনো পাকে নাই ১৩% বোরো ধান। এছাড়া, সারাদেশে ১৬% বোরো ধান কর্তন শেষ হয়েছে।