বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
জ্বালানিখাত স্বনির্ভর করতে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসিকে ৯ দফা দাবি জামায়াতের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া-খালেদার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আজ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাতীয় বেতনস্কেল অনুমোদন ।। সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার :আইনমন্ত্রী সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার বিরোধী দলের ওয়াকআউটকে বাহানা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

রাজশাহীতে মৃত ব্যক্তির কার্ডে চাল উত্তোলন

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০
  • ২৮১ দেখা হয়েছে




বাংলা হেডলাইনস রাজশাহী : রাজশাহীর তানোর উপজেলার মৃত ব্যক্তির কার্ডে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল তোলার অভিযোগ উঠেছে।  

 
পৌরসভা কার্যালয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মুন্ডুমালা পৌরসভার সাদিপুর গ্রামের মানুরুদ্দীনের ছেলে আমজাদ হোসেন প্রায় ১১ মাস আগে মারা গেছেন। কিন্তু খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। তাঁর কার্ড নম্বর ৪৯৮। গত এপ্রিল ও মে মাসে স্থানীয় পরিবেশক (ডিলার) দেবানন্দ বর্মনের কাছ থেকে ওই কার্ডে ১০ টাকা কেজি দরের চাল কেনা হয়েছে।

পৌরসভার এক নম্বর প্যানেল মেয়র ও স্থানীয় কাউন্সিলর আমির হোসেন আমিন বলেন, ‘আমজাদ মারা গেছেন প্রায় ১১ মাস আগে। তাঁর নামে কীভাবে কার্ড হয়েছে, সেই কার্ড দিয়ে কারা চাল তুলছে, তা জানেন না। তিনি বলেন, এই কার্ড তৈরিতে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এ জন্যই এমনটি হয়েছে।

এ ছাড়া তালিকায় একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার এসেছে, এমন অন্তত তিনটি ঘটনা পাওয়া গেছে। পৌরসভার হাসনাপাড়া এলাকার কসিম উদ্দিনের ছেলে আরিফুল ইসলামের নামে তিনটি কার্ড করা হয়েছে। তাঁর কার্ড নম্বরগুলো যথাক্রমে ১৫০, ৪১৮ ও ৪৮২।

এই রকম সাতটি কার্ডে এপ্রিল ও মে মাসে ২১০ কেজি চাল কেনা হয়েছে। তবে তাঁদের নামে একাধিক কার্ড করার বিষয়টি তাঁরা জানেন না বলে দাবি করেছেন।

মুন্ডুমালা পৌরসভার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের দুজন পরিবেশক রয়েছেন। তাঁদের একজনের নাম জুবায়ের হোসেন।

তিনি তানোর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার এ রকম একটি কার্ড জব্দ করেছেন। অন্য নামের কার্ড নিয়ে মুহবুল নামের একজন চাল নিতে এসেছিলেন। তিনি ওই কার্ডের চাল দেননি।

জুবায়ের বলেন, কাউন্সিলররা তালিকা দিয়েছেন। তাঁদের পক্ষে সবাইকে চিনে দেওয়া সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে অপর পরিবেশক দেবানন্দ বর্মনের মোবাইল ফোনে  যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

পৌরসভার ১ নম্বর প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর আমির হোসেন ওরফে আমিনসহ পাঁচজন কাউন্সিলর এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ওএমএসের চাল বিতরণে অনিয়মের লিখিত অভিযোগ করেছেন।

তাঁরা আগের দিন গত বুধবার পরিবারভিত্তিক মানবিক সহায়তা কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগেও স্থানীয় সাংসদ, বিভাগীয় কমিশনার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী বলেন, তাড়াহুড়ার কারণে এটা হতে পারে।

তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরে মুন্ডুমালা পৌরসভার সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন। এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com