বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়ায় একটি দোকানে ওষুধ ও রক্ত কেনাবেচা করা হলেও ড্রাগ লাইসেন্স ও ব্লাড ব্যাংকের অনুমোদন নেই। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধে ভরা। জনগণকে জিম্মি করে ওষুধের দাম তিন/চারগুণ আদায় করা হয়। ভিতরে চলে মাদকসেবন।
এমন অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত শনিবার দুপুরে শহরতলীর ছিলিমপুরেও ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে তিন কর্মচারীকে তিনমাস করে কারাদন্ড দিয়েছেন। জব্দ করা প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে।
এছাড়া দোকানে তালা দিয়ে চাবি স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরকে হস্তান্তর ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে নির্দেশ দেয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন বগুড়া শহরের মালগ্রামের ফয়সাল শেখের ছেলে সুমন শেখ (২৪), খান্দারের নেপাল চন্দ্রের ছেলে নিহারঞ্জন দাস পলাশ (২৮) ও শাজাহানপুরের সায়েমের ছেলে রাসেল মিয়া (২০)।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম কামরুল ইসলাম ও অন্যরা জানান, বগুড়ার শাজাহানপুরের বীরগ্রামের বিপ্লব নামে এক ব্যক্তি শহরতলির ছিলিমপুরে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের সামনে বর্ষণ মেডিসিন অ্যান্ড সার্জিক্যাল নামে দোকান দিয়েছেন।
ওষুধ ও রক্ত কেনাবেচা করা হলেও ড্রাগ লাইসেন্স এবং ব্লাড ব্যাংকের অনুমোদন নেই। অধিকাংশ ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ। ক্রেতাদের জিম্মি করে ওষুধের দাম তিন থেকে চারগুণ আদায় করা হয়। ৬৯৫ টাকা মূল্যের ওষুধের দাম ২৩৩০ টাকা নেয়া হয়ে থাকে। এছাড়া দোকানের ভিতরে মাদকসেবন চলে।
পরে জব্দ করা প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে।