রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বিদেশী সব চুক্তি সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমীরের বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী চীন-মালয়েশিয়া সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই করের আওতায় আসছে মুদি দোকান, বিউটি পার্লার আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ কি না, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে: উপদেষ্টা জাহেদ শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ‘নব্য ফ্যাসিবাদকে’ বিদায় জানাতে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জামায়াত আমির জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি: মির্জা ফখরুল

পাহাড়ে জুম চাষের আগুনে পুড়ছে বনাঞ্চল

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ২৮৫ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির দূর্গম সাজেক এলাকায় রিজার্ভ ফরেস্টের শত শত একর সংরক্ষিত পাহাড়ি বনাঞ্চল ও আশপাশের পাহাড়ে জুম চাষের নামে আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে ঔষধি নানা প্রজাতির লতা-পাতা ও গাছপালা।

জুম চাষের নামে জুমিয়াদের এ ধ্বংসলীলা চলছে বছরের পর বছর। ফলে প্রকৃতি হারাচ্ছে তার ভারসাম্য, বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বন্য প্রাণী, পাখি ও কীট-পতঙ্গ।  ঘটছে পরিবেশ বিপর্যয়, যার দায়ভার বহন করতে হচ্ছে সাজেকসহ পাহাড়ে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ মানুষকে।

সরজমিনে দেখা গেছে, পাহাড়ে জুম চাষের নামে আগুনের লাগামহীন লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ছে পাহাড় থেকে পাহাড়ে আর শত শত একর সংরক্ষিত পাহাড়ি  বনাঞ্চল ও আশপাশের ঘর বসতি এলাকায়। এতে করে অনেক সময় এইসব ঘর বসতিগুলোতেও আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাদ পড়ছে না।  

এতে করে হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র। অবাধে বনাঞ্চাল ধংসের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পাহাড়ি ছড়া ও কুয়ায় দেখা দিচ্ছে চরম পানির অভাব, ফলে বাড়ছে পাহাড়ে পানি বাহিত রোগবালাই।

তবে পাহাড়ে আগুন দেয়া থেকে স্থানীয়দের দুরে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায়ই দেয়া হয় কঠোর বার্তা, তাতেও লাগামটানা যাচ্ছে না এই জুমে আগুন দেয়ার রীতিনীতি।

স্থানীয় সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলসন চাকমা ও গ্রাম প্রধানদের দাবি তারা নিরুপায় হয়েই আগুন দেয় পাহাড়ে, তাদের খাদ্যের সংকট রয়েছে, খাদ্যের যোগানে তাদের বিকল্প কোন কর্মসংস্থান নেই, আগুন না দিলে জুমে চাষ না হলে না খেয়ে থাকতে হবে।

তাদের দাবি সরকার যদি তাদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেয় তাহলে তারা জুম চাষ ছেড়ে দিবে তখনই পাহাড়ে আগুন দেয়া বন্ধ হবে।

বাঘাইছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা কমিটির সভাপতি ও কাচালং সরকারি কলেজের জীব বিজ্ঞানের প্রভাষক আবুল ফজল মনে করেন, জুম চাষের নামে অবাধে বনাঞ্চল ধংস করার পরিণাম হবে ভয়াবহ, পানির স্তর শুকিয়ে যাবে, নেমে আসবে চরম বিপর্যয়, তাই বিকল্প কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের জুম চাষ থেকে বিরত রাখতে হবে।

স্থানীয় সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান নেলসন চাকমা ও গ্রাম প্রধানদের দাবি তারা নিরুপায় হয়েই আগুন দেয় পাহাড়ে, তাদের খাদ্যের সংকট রয়েছে, খাদ্যের যোগানে তাদের বিকল্প কোন কর্মসংস্থান নেই, আগুন না দিলে জুমে চাষ না হলে না খেয়ে থাকতে হবে।

তাদের দাবি সরকার যদি তাদের বিকল্প কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করে দেয় তাহলে তারা জুম চাষ ছেড়ে দিবে তখনই পাহাড়ে আগুন দেয়া বন্ধ হবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com