বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়ায় ঢাকা ফেরত আরো দু’জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এদের একজনের বাড়ি সনাক্ত করে লকডাউন করা হয়েছে।
অপরজন শহরের বৃহৎ শপিংমল রানার প্লাজার একটি দোকানের কর্মচারির সন্ধান মিলছে না। যে কারণে প্রশাসন তার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এ নিয়ে জেলায় ৪১ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হলেন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বগুড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পিসিআর ল্যাবে সোমবার ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
রাতে পাওয়া রিপোর্টে বগুড়ার দু’জন ও জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার ১৫ জনের পজিটিভ এসেছে।
বগুড়ার একজন শহরের রহমাননগরের কাজীখানা মোড় এলাকার ও অপরজন শহরতলীর বাঘোপাড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের।
শহরের রহমাননগরের কাজীখানা মোড়ের একটি মেসে থাকা ওই যুবক (২৭) গত ১০ মে ঢাকার কামরাঙ্গীচরের বাড়ি থেকে ফিরেছেন। তিনি শহরে বৃহৎ শপিংমল রানার প্লাজায় একটি পোশাক বিক্রির দোকানের সেলসম্যান। মেসে উঠতে না দেয়ায় তিনি শাজাহানপুরের বনানীর সুজাবাদ এলাকায় নাজমুল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ওঠেন। সেখান থেকে নমুনা দেন। রিপোর্ট পজিটিভ হবার পর থেকে তিনি ফোন বন্ধ রেখে গাঢাকা দিয়েছেন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, ঢাকা ফেরত রানার প্লাজার ওই কর্মচারীর সন্ধান মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
তাই তার বসবাসকারি শহরের রহমাননগরের মেস, আশ্রয় শাজাহানপুরের ওই বাড়ি এবং রানার প্লাজার দোকান লকডাউন করার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।
বগুড়ায় গত ২৯ এপ্রিলের পর সোমবার রাত পর্যন্ত চিকিৎসক, নার্স, পুলিশসহ বিভিন্ন পেশার ৪১ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে নয়জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও নিজ নিজ বাড়িতে ৩২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।