বাংলা হেডলাইনস বগুড়া: বগুড়ায় নুতন করে ১১ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা ফেরত একই পরিবারের সাত সদস্য ও স্থানীয় চার পুলিশ রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট ৫২ জন আক্রান্ত হলেন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন মঙ্গলবার রাতে এ তথ্য দিয়েছেন।
বগুড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
বগুড়ার ১৭৬ জনের মধ্যে ১১ জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। সিরাজগঞ্জের ১২ জন নেগেটিভ।
বগুড়ার আক্রান্তদের মধ্যে শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার এক পরিবারের চার নারী ও তিন পুরুষ সদস্য এবং পুলিশ লাইন্সে কর্মরত একজন এটিএসআই ও তিন কনস্টেবল রয়েছেন।
এক পরিবারের সাতজন ৮ মে ঢাকার কুর্মিটোলা হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত বগুড়ার সৈয়দ আহম্মদ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নজবুল হকের আত্মীয় স্বজন। তারা অসুস্থ নজবুল হককে দেখতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ওইদিন বগুড়া ফিরেছেন। ১১ মে তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পুলিশ সদস্যরা পুলিশ লাইন্সে করোনা আক্রান্ত এক কনস্টেবলের সংস্পর্শে আসায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।
আদালতে কর্মরত ওই পুলিশ সদস্য আক্রান্ত হবার পর মোট ২২ জন পুলিশের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এক পরিবারের সাতজনকে নিজেদের বাড়িতে ও পুলিশ সদস্যদের পুলিশ লাইন্সে কোয়ারেন্টিন রেখে চিকিৎসা দেয়া হবে।
এ নিয়ে বগুড়ায় নয় পুলিশ আক্রান্ত হলেন। এর মধ্যে এক কর্মকর্তা সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, গত ২৯ এপ্রিল থেকে ১২ মে রাত ৯টা পর্যন্ত জেলায় মোট ৫২ জন করোনাভাইরাসে আক্রন্ত হলেন। এর মধ্যে নয়জন সুস্থ হওয়ায় বর্তমানে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশন ইউনিটে ও নিজ নিজ বাড়িতে ৪৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।