বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে।
ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচলের মৌখিক অনুমতি এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথের ফেরিসার্ভিস চালু হওয়ায় মানুষ এখন নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ি ছুটছেন।
প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ভ্যান ও মোটর সাইকেলযোগে যাত্রীরা ঢাকা থেকে আসছেন পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। তবে বন্ধ রয়েছে বাস চলাচল।
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে, গত দুদিন ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় রাত ১১টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
রাত থেকে সকাল নয়টা পর্যন্ত ছয় শতাধিক পণ্যবোঝাই ট্রাক পারাপার করা হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও যাত্রীদের অনায়াসে পার করা হচ্ছে।
বর্তমানে ১৬টি ফেরি প্রস্তুত আছে। যাত্রীরা যেন সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকে তার জন্য প্রতিটি ফেরিতে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬০ জন যাত্রীকে উঠতে বলা হচ্ছে।
পাটুরিয়া ঘাটে শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানিয়া সুলতানা বলেন, গত দুদিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার কারণে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ৬ কিলোমিটার জুড়ে পচনশীল ও জরুরী পণ্যবাহী গাড়ী আটকা পড়ে। নির্দেশনা অনুযায়ী, পাটুরিয়া ঘাটে আটকে থাকা ওইসব গাড়ি পার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি ও যাত্রী পার করা হচ্ছে।
তবে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মহাসড়কগুলোতে চেক পোষ্ট রয়েছে। চেকপোষ্টগুলোতে কোন ধরণের কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে না। তবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য সচেতন করা হচ্ছে।