বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ায় ঢাকা ফেরত এক ব্যক্তির (২৩) বিরুদ্ধে করোনাভাইরাস আক্রান্তের কথা গোপন রেখে জন্ডিসের কবিরাজি চিকিৎসা নেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ টের পেয়ে শুক্রবার দুপুরে তাকে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে চাচার বাড়ি থেকে উদ্ধার করেন।
পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশন ইউনিটে এনে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন চারটি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেছে।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বগুড়ার সারিয়াকান্দির ওই ব্যক্তি ও তার স্ত্রী ঢাকায় একটি মোজা কারখানায় চাকরি করেন।
তিনি করোনা উপসর্গ নিয়ে ঈদের আগের দিন ২৪ মে বগুড়া শহরের উত্তর চেলোপাড়ায় শ্বশুর বাড়িতে আসেন। ঈদের পরদিন ২৬ মে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল পিসিআর ল্যাবে নমুনা দিয়ে আবার শ্বশুর বাড়িতে যান। ওই রাতে ফোনে জানতে পারেন তিনি করোনাভাইরাস আক্রান্ত।
শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে থাকতে দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি নন্দীগ্রাম উপজেলা দাড়িয়াপুর গ্রামে চাচার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে জানান, তার জন্ডিস হয়েছে।
পরিবারের লোকজন তার কথায় বিশ্বাস করে কবিরাজ ডেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু এলাকার লোকজন ঢাকা ফেরত হওয়ায় তাকে চাচার বাড়িতে থাকতে দিতে রাজি হননি।
এদিকে শুক্রবার দুপুরে নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মীরা অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে দাড়িয়াপুরের ওই বাড়িতে যায়। তখন গ্রামে হৈ চৈ পড়ে যায় ও গ্রামবাসীদের সন্দেহ সত্য হয়।
নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তোফাজ্জল হোসেন জানান, ওই ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল আইসোলেশন ইউনিটে পাঠিয়ে সেখানে ভর্তি করানো হয়েছে।