বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ার বিসিক শিল্পনগরীতে রাবার কারখানায় অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছিল মানহীন ম্যাংগো ড্রিংকস।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম কামরুল ইসলামের ভ্রাম্যমাণ আদালত মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে অভিযান চালিয়ে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন। পরে জরিমানার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, নজমুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি শহরের ফুলবাড়ি এলাকায় বিসিক শিল্প নগরীতে ড্রাগন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। জায়গাটি রাবার ও প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির জন্য ইজারা নেয়া হয়েছিল। তার মৃত্যুর পর ছেলে বকুল ও নীরব পরিচালনা করতেন। তারা জায়গাটি সেলিম রেজা নামে একজনকে ভাড়া দেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম কামরুল ইসলাম জানান, শহরের আটাপাড়ার মৃত বাচ্চু শেখের ছেলে সেলিম রেজা অনুমোদন না থাকলেও বিএসটিআইয়ের স্টিকার ব্যবহার করে ‘প্রিয় ফ্রুটিক্স’ নামে ম্যাংগো ড্রিংকস উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছেন। তার এ সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই।
মঙ্গলবার দুপুরে গোপনে খবর পেয়ে ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় কর্তৃপক্ষ বিএসটিআইয়ের ভুয়া কাগজপত্র প্রদর্শন করে। বিএসটিআই আইনের ১৫ ও ৩০ ধারার অপরাধে ড্রাগন ফুড অ্যান্ড বেভারেজ বাংলাদেশ লিমিটেডের মালিককে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জরিমানা অনাদায়ে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম দেয়া হয়। পরে আদালতকে জরিমানার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
এ সময় কারখানায় উৎপাদিত পণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া আদালত মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে জনগণের সাথে প্রচারণা করার অপরাধে বিসিক শিল্প নগরীর মেসার্স সাফি এগ্রোর মালিক মাহবুব হোসেনকে ভোক্তা অধিকার আইনের ২০০৯ এর ৪৪ ধারা লংঘন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযানে বিএসটিআই বগুড়ার পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহম্মেদ, বিসিক শিল্প নগরী কর্মকর্তা একেএম মাহফুজুর রহমান, বগুড়া পৌরসভার স্বাস্থ্য পরিদর্শক শাহ্ধসঢ়; আলী ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন।