শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
জুবায়েরপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা জানুয়ারিতে ২ পর্বে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানমন্ত্রীর রেঞ্জ রোভারের বিরুদ্ধে দুই মামলা জ্বালানিখাত স্বনির্ভর করতে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসিকে ৯ দফা দাবি জামায়াতের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া-খালেদার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা আজ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাতীয় বেতনস্কেল অনুমোদন ।। সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার :আইনমন্ত্রী সরকার ফ্যাসিজমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার

নওগাঁয় গ্রাম পুলিশের ধর্ষণে মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০
  • ৩১৮ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস নওগাঁ :  নওগাঁর বদলগাছীতে গ্রাম পুলিশের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এক স্কুলছাত্রী।

ঘটনার পর তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে ওই মাদ্রাসাছাত্রী।

অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ বাবুল হোসেন ফেলু উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে দায়িত্বরত এবং একই ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা। আর ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। গ্রাম পুলিশ বাবুল তার প্রতিবেশী  সম্পর্কে চাচা হন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসাছাত্রীর পরিবারটি গরিব। আর এ সুযোগে ভুক্তভোগীকে প্রতিবেশী গ্রাম পুলিশ বাবুল হোসেন ফেলু বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিকার ধর্ষণ করেন। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। এদিকে গর্ভধারণের পর মাদ্রাসাছাত্রী বিয়ের কথা বললে কোনো সাড়া দিতেন না বাবুল।

১১ জুন বিয়ে করবে বলে তাকে জয়পুরহাট জেলায় নিয়ে যান বাবুল। সেখান এক বাড়িতে হাতুড়ে চিকিৎসকের দ্বারা তার গর্ভপাত করান। ঘটনা ধামাচাপা দিতে এবং  মীমাংসার জন্য চাপ দিতে থাকেন অভিযুক্ত। এরপরও বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

পরে শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় সালেম মোহাম্মদ, আজিজার এবং অভিযুক্তের বড় ভাই সাইদুল হোসেন  ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে সমঝোতার জন্য প্রস্তাব দেন বলে জানা যায়।

কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবার সমঝোতা মানতে নারাজ। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত গ্রাম পুলিশ বাবুল হোসেন ফেলু এলাকায় নেই।

অভিযুক্তের বড় ভাই সাইদুল হোসেন মেলেটারি বলেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে তার ভাইকে ফাঁসানো হচ্ছে। কিছু টাকা নেয়ার জন্য আমাদের বিরুদ্ধে গুজব রটানো হচ্ছে।

পাহাড়পুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ওই গ্রাম পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা জানা নেই। তবে আরো কয়েকজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শুনেছি। ওই গ্রাম পুলিশ যদি জড়িত থাকে তাহলে পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধূরী জোবায়ের আহম্মদ বলেন, শনিবার (১২ জুন) রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে বাবুল হোসেন ফেলুকে আসামি করে মামলা করেছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com