শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীকে অশোভন ভাষায় আক্রমণ করছে বিরোধীরা: রিজভী রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রী-এমপিদের বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিলে ‘বাধা দেব’: শফিকুর প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএর প্রথম দিন ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন: মাহ্দী আমিন জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি শুরু জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না : প্রতিমন্ত্রী ন্যাম ভবন থেকে এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন নয় : জামায়াত ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ অপতৎপরতায় সরকার শংকিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কামারদের অবসর নেই

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ৪০১ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল:  কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসছে। কামারদের ব্যস্ততা বাড়ছে।

পশু জবাইসহ মাংস ও হাড় কাটার জন্য দা, ছুরির প্রয়োজন হয়। তাই মানুষ কামারের কারখানায় তাদের দা, ছুরি বানাতে কিংবা তা শান দিতে দ্বারস্থ হচ্ছে।

কামার শিল্পীর তৈরি গ্রাম-বাংলার গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি কুড়াল, দা, বটি, কোদাল, কাচিঁ, নিড়ানি, খুন্তি, লাংগলের ফলা ইত্যাদির ব্যাপক চাহিদা থাকলেও বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে বানানোর খরচ পাচ্ছে না কামাররা।

বছর ঘুরে ঈদুল আযহা এলেই মাংস কাটার জন্য লোহার নানা জিনিস তৈরির টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে ওঠে দেশের অন্যান জেলার মত টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন কামারের ক্ষুদ্র কারখানায়।

ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন জেলার কামাররা।

ঈদুল আযহার কোরবানির পশু জবাইয়ের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে কামারদের ব্যস্ততা।

একদিকে হাপরে আগুনের শিখা অন্যদিকে হাতুড়ি পেটানোর টুংটাং শব্দে তৈরি হচ্ছে দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি।

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে কামারদের তৈরি লোহার বিভিন্ন পণ্যের বেশ কদর রয়েছে। বহু বছর আগে থেকেই সনাতন পদ্ধতিতে তারা তৈরি করে আসছেন চাপাতি,দা, বঁটি, কোদাল, ছুরি, খোনতা, কুড়ালসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

আবার কেউ পুরনো দা, বটি, ছুরি নতুন করে ধার দেওয়ার জন্য ভিড় জমাচ্ছে কামারীদের কাছে।

তবে বিগত সময়ের তুলনায় এসব সরঞ্জামাদির দাম অনেকটাই বেশি।

জেলার বিভিন্ন কামারদের কারখানায় ঘুরে দেখা যায়,  ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কামারগণ।

সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কোরবানির ঈদের এসময়টা বরাবরই ব্যস্ত থাকতে হয় তাদের।

পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কিনতেও লোকজন ভিড় জমায় বিভিন্ন কামারের কারখানায়।

তাই কামারের দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে গরু-খাসী কাটার বিভিন্ন উপকরণ। ছোট ছুরি থেকে শুরু করে বড় ছুরি।

টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া রোডের কামার মইনা জানান, বছরের অন্য সময়ে একজন কারিগর দিনে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং একজন সহযোগী ২০০ থেকে ২৫০ টাকা রোজগার করেন।

কিন্তু  ঈদ সামনে রেখে এখন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। ফলে আয়ও বেড়েছে।

বর্তমানে একজন কারিগর দিনে ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা ও একজন সহযোগী ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা আয় করছেন।

শহরের বাজারে বিভিন্ন দোকানে কামারদের তৈরি সরঞ্জাম বিক্রি করতেও দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের।

তারা জানান, এখনো কোরবানির গরু না কিনলেও আগেভাগে জবাই, চামড়া ছিলানো ও মাংস কাটার সরঞ্জাম কিনছেন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com