বাংলা হেডলাইনস : কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আবার বন্যা না হলে, ক্ষয়ক্ষতি বহুলাংশে কাটিয়ে উঠা যাবে এবং এই ক্ষয়ক্ষতি আমাদের খাদ্য উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়বে না।
মন্ত্রী বলেন যে কোন পরিস্থিতিতে আমরা কৃষকের পাশে থেকে বাংলাদেশের কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর। আমরা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, আবার বন্যা না হলে, ক্ষয়ক্ষতি বহুলাংশে কাটিয়ে উঠা যাবে।
তিনি বলেন কৃষি মন্ত্রণালয়সহ এর অধীন সকল দপ্তরসমূহ করোনা ঝুঁকির মধ্যেও অত্যন্ত সজাগ, সক্রিয় রয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে বন্যায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও তা মোকাবিলায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন।
তিনি বলেন, এবারের বন্যায় ৩৭ জেলায় মোট এক হাজার ৩২৩ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া ফসলি জমির পরিমাণ দুই লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর, যার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ১ লাখ ৫৮ হাজার হেক্টর।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ১২ লাখ ৭২ হাজার জন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ৩২ হাজার ২১৩ হেক্টর জমির আউশ ধান, ৭০ হাজার ৮২০ হেক্টর জমির আমন ধান এবং আট হাজার হেক্টর জমির আমন বীজতলা, পিআইডির এক প্রেস রিলিজে জানানো হয়।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বন্যার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা ক্ষতি পুষিয়ে যেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য বিভিন্ন প্রণোদনার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
‘ইতিমধ্যে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকার কৃষি উপকরণ দুই লাখ ৩৯ হাজার ৬৩১ জন ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
এর আওতায় স্বল্পমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী বিভিন্ন শাকসবজি চাষের জন্য প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এক লাখ ৫২ হাজার কৃষককে বিভিন্ন প্রকার সবজিবীজ ইত্যাদি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে’।