বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ায় প্যাথলজিস্ট ডা. রওনক জাহান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে থাকলেও ডক্টরস ক্লিনিকের (ইউনিট-২) প্যাথলজির রিপোর্টে তার জাল স্বাক্ষর থাকায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয় ।
এমন অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বুধবার দুপুরে ওই ক্লিনিকে অভিযান চালান।
সত্যতা পাওয়ায় ম্যানেজার সোহেল জামানকে দুই লাখ জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়। তিনি অপরাধ স্বীকার করার পর জরিমানা পরিশোধ করে রেহাই পেয়েছেন।
আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, ডা. রওনক জাহান শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় ডক্টরস ক্লিনিকে (ইউনিট-২) প্যাথলজিষ্ট হিসেবে কর্মরত। গত ১৬ আগস্ট করোনা আক্রান্ত হবার পর তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। এরপরও ক্লিনিক থেকে দেয়া প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টে তার স্বাক্ষর থাকছে।
ভুক্তভোগী কেউ এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। বুধবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অভিযোদের সত্যতা পান।
আদালত ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক সোহেল জামানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৫২ ধারায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাকে এক বছরে কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আফজাল রাজন সাংবাদিকদের জানান, ডা. রওনক জাহানের সাথে কথা বললে তিনি করোনা আক্রান্ত হবার পর প্যাথলজির রিপোর্টে স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ডা. রওনক জাহানের স্বাক্ষর জাল করেন।
ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক সোহেল জামান দাবি করেন, তারা স্বাক্ষর জাল করেননি; বিষয়টি ডা. রওনক জাহান ভালো বলতে পারবেন। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা রিয়াজ, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানুল ইসলাম নির্ঝর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।