বাংলা হেডলাইনস টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে সবকটি কক্ষে দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এতে মূল্যবান সার্টিফিকেটসহ কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়েছে। এ ঘটনায় কতৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ি করে ক্ষতিপূরণসহ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বাসভবনের প্রায় পঁচিশগজ দূরে অবস্থিত ছাত্রী হোস্টেলটি। দ্বিতল ভবনের সাতটি কক্ষে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ২৭ জন ছাত্রী আবাসিকে থেকে পড়াশুনা করছে।
করোনার পরিস্থিতিতে চলতি বছরের মার্চের ১৭ তারিখ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণায় ১৬ তারিখে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে হল ছেড়ে দেয় তারা। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চুরির বিষয়টি জানতে পারে তারা।
শুক্রবার ঘটনাস্থলে এসে ছাত্রীরা দেখতে পায় প্রতিটি কক্ষেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তাদের জিনিসপত্র।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, কক্ষগুলোতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ছাত্রীদের প্রতিদিনের ব্যবহারের জিনিসপত্র। তবে সেখানে নেই কোন মূল্যবান মালামাল ও সার্টিফিকেট। এতে সহজেই বুঝা যায় দীর্ঘ সময় নিয়ে এ চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
এদিকে চুরির ঘটনা জানাজানির প্রায় ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেননি কলেজের অধ্যক্ষ বকতিয়ার হোসেন।
এ কারণে ঘটনার জন্যে কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করছে তারা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাত্র দুইজন নাইটগার্ড দিয়ে চলছে এতবড় একটি প্রতিষ্টান। গত প্রায় দেড় মাস ধরে পুরো ক্যাম্পাস বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। এর আগেও শিক্ষার্থীদের হলে একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। তবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ।
এবারের দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতা অনেক গুন বাড়িয়ে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে কালিহাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান আল মামুন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ বখতিয়ার হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি দায়িত্বে অবহেলার কথা নাকচ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।