বাংলা হেডলাইনস: যতদিন না পর্যন্ত করোনার ভ্যাকসিন বের হবে বা এর চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা হবে ততদিন পর্যন্ত জনগণকে সুরক্ষা থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।
আজ শনিবার ঢাকা মহানগরী আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিটের উদ্যেগ্যে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় সংযুক্ত হন।
শেখ হাসিনা বলেন ‘যতদিন না পর্যন্ত এর ( করোনার) ভ্যাকসিন বের হবে বা এর চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা হবে বা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হবে। ততদিন পর্যন্ত আমাদের সুরক্ষা থাকতেই হবে। সেটা সবাইকে আমি অনুরোধ করি,’।
তিনি বলেন ‘মুজিববর্ষ অর্থাৎ ২০২০ থেকে ২০২১ সাল জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এদেশের একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন যখন আমরা সমস্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি তখন আসলো করোনা ভাইরাস এটা খালি বাংলাদেশ না সারা বিশ্বব্যাপী। এই বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারণে আজ সব দেশই স্থবির তার মধ্যেও আমরা আমাদের সীমিত সময় দিয়েও আমরা কিন্তু কাজ অব্যাহত রাখতে পারছি’।
তিনি বলেন সে জন্য আমাদের রিজার্ভ (ফরেন) ৩৯ বিলিয়নে (ডলার) উন্নীত হয়েছে। আমাদের রেমিটেন্স বেড়েছে। আমরা দারিদ্র থেকে মানুষ যাতে মুক্তি পায় তার জন্য নানা ধরণের প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছি।
শেখ হাসিনা বলেন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সেবা করা এটাই তো জাতির পিতার শিক্ষা এটাই তাঁর আদর্শ। দেশের সেবা করতে হবে মানুষের সেবা করতে হবে।
‘হ্যাঁ করোনা ভাইরাস এটা একটি বিশ্বব্যাপী সমস্যা। কিন্তু আমরা বাংলাদেশে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানুষকে আমরা সবরকমের সহযোগিতা করে যাব। যেন দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মানুষকে সচেতন থাকতে হবে আরও অনেকদিন সচেতন থাকতে হবে। যেন এই অবস্থা থেকে আমরা মুক্তি পাই’।
‘আমাদের লক্ষ্য এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। দারিদ্রের হার আমরা কমিয়ে ৪০ ভাগ থেকে ২০ ভাগে আমরা নামিয়ে এনেছিলাম। আমরা আমদের প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিলাম ৮.১ ভাগ। আমাদের লক্ষ্য ছিল ৮.২ ভাগ অর্জন করবো’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘আমরা স্বাক্ষরতা হার বৃদ্ধি করা, একেবার গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছিয়ে দেওয়া, মানুষকে যাতে সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হয় সে ব্যবস্থা করা এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করার আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছিলাম’।
‘খাদ্যে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণতা লাভ করে উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছিল। দরিদ্র মানুষকে আমরা বিনা পয়সায় খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছিলাম। সামাজিক সুরক্ষার ব্যাপক কর্মসূচি আমাদের হাতে। আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। গৃহহীন ভূমিহীন মানুষদের আমরা ঘরবাড়ি করে দিচ্ছিলাম’।