বাংলা হেডলাইনস বগুড়া :বগুড়া টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাসে চারজন ও উপসর্গে দু’জন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার লাশ প্রস্তুত ও জানাযা শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের সহকারি নির্বাহী কর্মকর্তা রহিম উদ্দিন রুবেল জানান, বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার তিলচগ্রামের ব্যবসায়ী আহম্মেদ আলী (৬২) করোনা উপসর্গে আক্রান্ত হন। ২৮ আগস্ট তিনি করোনা পজিটিভ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।
বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল আইসোলেশন সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার শ্যামলীপাড়ার নগেন কুমার (৫৪) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ আগস্ট রাত ৮টায় ভর্তি হন। পরে রিপোর্টে তিনি করোনা পজিটিভ হন। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তিনি মারা গেছেন।
বগুড়া শহরের বড়গোলা কাটনারপাড়ার হেদায়েতুল ইসলামের (৭৮) করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। বুধবার সকালে তিনি মারা যান।
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী (৭৮) করোনা উপসর্গ নিয়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় ভর্তি হন। পরদিন তিনি করোনা পজিটিভ হন। বুধবার বেলা পৌণে ১১টার দিকে মারা গেছেন।
সূত্রটি আরো জানায়, বগুড়া শহরের লতিফপুর কলোনীর জাবেদ আলীর (৩৮) করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার আগেই তিনি বুধবার সকালে মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়া নাটোরের সিংড়া উপজেলার মানিকচাপড় গ্রামের গৃহবধু রোকেয়া বেগমের (৪৫) শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার নমুনার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।
বগুড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানুল ইসলাম নির্ঝর জানান, বুধবার দুপুর পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে ১৩ নারী ও দুই শিশুসহ ৩৮ জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে।