বাংলা হেডলাইনস: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেছেন, পাওয়ার প্ল্যান্ট, ইকোনমিক জোন বা অন্য কোন উন্নয়নের কথা বলে নদী দখল করা যাবে না।
তিনি বলেন সরকার নদীর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করছে। ব্যবসায়িক স্থাপনাকে ঘিরে কেউ নদীর জায়গা দখল করতে চাইলে তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।
প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকা-বরিশাল নৌপথের চাঁদপুরস্থ লক্ষ্মীরচর-আলুরবাজার-ঈশানবালা-হিজলা-উলানিয়া-মিয়ারচর নৌপথ পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন, পিআইডি’র এক প্রেস রিলিজে জানানো হয়।
খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেন, অতিরিক্ত স্রোত ও পলি জমে যাওয়ার কারণে নদী ভরাট হয়ে বরিশাল রুটের মিয়ারচরেও নৌপথও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল; এখন ভোলার ইলিশা দিয়ে ঘুরে বরিশাল যেতে হচ্ছে।
সেই অবস্থায় আলু বাজার থেকে হিজলা হয়ে নৌপথ হয় কিনা সেটা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষে দু’টি সভা হয়েছে। সভায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিভাবে ড্রেজিং করলে নৌ চলাচল করতে পারবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-বরিশাল নৌপথের মিয়ারচর, কালীগঞ্জ ও আলু বাজার এই তিন চ্যানেলের কোন নৌ রুটই বাদ দিচ্ছে না সরকার। মিয়ারচরে যে পথটা আছে তা ড্রেজিং করে চালু করা হবে। পাশাপাশি আলুবাজার চ্যানেলটিও চালু রাখা হবে।
তিনি বলেন ঢাকা-বরিশাল নৌপথে বহুমাত্রিক পথ (লিঙ্ক) রাখা হবে। প্রতিবন্ধকতায় অব্যাহত পথ রাখতে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হবে।
খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী বলেন, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী রুটে ফেরি চলাচল আটদিন বন্ধ ছিলো। কারণ অতিরিক্ত স্রোত ও পলি জমে যাওয়ার কারণে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে এবং পথগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।