বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি: পার্বত্য জেলা ও প্রত্যন্ত এলাকায় করোনাভাইরাস ও যক্ষ্মা মুক্ত দেশ গড়তে সম্মিলিত ভাবে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা।
তিনি বলেন, মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসের পাশপাশি যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি ডায়বেটিস হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে যক্ষ্মা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে রাঙ্গামাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি নাটাব রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি ও দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক এ কে এম মকছুদ আহমেদ এর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বক্ষব্যাধী ক্লিনিকের ভারপ্রাপ্ত কনসালটেন্ট ডা.সুশোভন দেওয়ান, নাটাব রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: শাহ জাহান মজুমদার।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন, নাটাবের সদস্য মোসলেম উদ্দিন, ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, নাটাবের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মোহাম্মদ হেলাল।
সভায় বক্তারা বলেন, যক্ষ্মা রোগীর কফ, হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে জীবাণু বের হয়ে বাতাসে মিশে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে তা সুস্থ ব্যক্তির ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং সুস্থ্য ব্যক্তিকে আক্রান্ত করে।
তিন সপ্তাহের বেশি কাশি যক্ষ্মার প্রধান লক্ষণ। বর্তমানে প্রত্যেক জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নাটাব যক্ষ্মা কর্মসূচির উপর কাজ করছে।
নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যক্ষ্মার ওষুধ বিনামুল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। কাজেই তিন সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে যক্ষ্মা রোগ সনাক্তের জন্য নিকট স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানান বক্তারা।