বাংলা হেড লাইনস বগুড়া: র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা তেলবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন থকে ৪৯৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।
সোমবার দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ট্রেনটি থামিয়ে মাদক উদ্ধার এবং চালক ও সহকারি চালককে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সকালে বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি মনজের আলী এ তথ্য দিয়েছেন।
গ্রেফতার আসামিরা হলো ট্রেনচালক যশোর মণিরামপুরের জয়পুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে শাহিনুর ইসলাম ও সহকারি চালক দিনাজপুরের পার্বতীপুরের পারহাউস কলোনির সিরাজুল ইসলামের ছেলে হায়দারুল ইসলাম।
র্যাব ও রেলওয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে মালবাহী ট্রেন পার্বতীপুর থেকে জ্বালানী নিয়ে খুলনার দিকে রওনা দেয়। র্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা গোপনে জানতে পারেন ওই ট্রেনের ইঞ্জিনে ফেনসিডিলের বড় চালান আছে।
র্যাব কর্মকর্তারা বিষয়টি রেলের উর্ধতন কর্মকর্তাদের অবগত করেন। রেল কর্মকর্তারা ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন থামানোর নির্দেশ দেন। র্যাবের একটি দল ওই জংশনে আসেন। তারা ট্রেনের ইঞ্জিন তল্লিশি করে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরা ৪৯৬ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করে।
এ সময় ফেনসিডিল বহনের অভিযোগে ট্রেনের চালক শাহিনুর ইসলাম ও সহকারি চালক হায়দারুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের র্যাবের জয়পুরহাট ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) গোয়েন্দা শাখার উপ-সহকারী পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান জানান, ঈশ্বরদী স্টেশনে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি থানা পুলিশ ও রেলওয়ের গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের উপস্থিতিতে ইঞ্জিন থেকে ফেনসিডিলগুলো জব্দ করা হয়।
র্যাবের সিনিয়রওয়ারেন্ট অফিসার সোহরাব উদ্দিন জানান, মাদক পাচারকারী চক্রের তিন সদস্য দিনাজপুরের বিরামপুরের চরখাই কেডিসির আতিনুর রহমান, জয়পুরহাটের দেওয়ানপাড়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে রকি ও শান্তিনগর গ্রামের কাওছার চৌধুরীর ছেলে শাওন চৌধুরী কৌশলে পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।