বাংলা হেডলাইনস বগুড়া : বগুড়ার ধুনটে সপ্তম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক মাস আটকে রেখে ধর্ষণ মামলার ২ নম্বর আসামি ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবু (৪৫) ধরা পড়েছেন।
ধুনট থানা পুলিশ শনিবার দুপুরে তাকে বগুড়া সদর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এর আগে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে এক নারীসহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি মাসুদ রানা এখনও অধরা রয়েছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আহসানুল হক আসামিদের পক্ষ নেওয়ায় তাকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ধুনটের গোপালনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বর) ফজলুল হক বাবু দেউরিয়া গ্রামের মৃত সামসুল হকের ছেলে।
মাসুদ রানা গত ১৬ জুলাই একই গ্রামের এক কৃষকের মেয়ে স্থানীয় স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। ইউপি সদস্য তাকে এক মাস একটি বাড়িতে আটকে রেখে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে।
ছাত্রীর মা গত ১২ আগস্ট ধুনট থানায় মাসুদ রানা, ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ অবস্থায় গত ২৪ আগস্ট ছাত্রীকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনায় রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়া হয়।
পুলিশ হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা করালে রিপোর্টে ধর্ষণের প্রমাণ মেলে।
এদিকে আসামিদের গ্রেফতার না করে তাদের পক্ষ নেওয়া ও বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করায় অভিযোগে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আহসানুল হককে গত ২ ডিসেম্বর ক্লোজ করা হয়েছে।
ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা তদন্তভার গ্রহণ করে শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে অন্যতম আসামি আবদুল মান্নান ও সাথী খাতুনকে গ্রেফতার করেছেন।
ওসি জানান, গ্রেফতার আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। প্রধান আসামি মাসুদ রানাসহ অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।