বাংলা হেডলাইনস: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন মুজিববর্ষে (জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী) ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশের একটি মানুষও ঠিকানাবিহীন ও গৃহহীন থাকবে না।
২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সাল ১৭ মার্চ পর্যন্ত মুজিববর্ষ । আর ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি অর্থাৎ সুবর্ণজয়ন্তী
আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীতে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন উপজেলায় হতদরিদ্র নিঃস্ব খেঁটে খাওয়া মানুষের মাঝে একযোগে ৬৬ হাজার ১৮৯ টি পরিবারকে দুই শতাংশ জমিসহ দুইকক্ষ বিশিষ্ট বাড়ি হস্তান্তরের কার্যক্রম উদ্বোধন করার সময় এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনা বলেন এত দ্রুত সময়ে পৃথিবীর কোন দেশে কখনও অথবা আমাদের দেশেও কোনদিন কোন সরকার এত দ্রুত এতগুলো ঘর মানে ৬৬ হাজার ১৮৯ টি ঘর করে (দিতে পেরেছে)।
প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘ মুজিববর্ষে আমাদের লক্ষ্য একটি মানুষও ঠিকানাবিহীন থাকবে না ও গৃহহারা থাকবে না। যতটুকু পারি … হয়তো আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে । জাস্ট একটা ঠিকানা আমি সমস্ত মানুষের জন্য করে দেব’।
তিনি বলেন কারণ,আমি বিশ্বাস করি যখন এই মানুষগুলো ঘরে থাকবে, আর আমার বাবা মা যারা সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেছে দেশের জন্য তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাঁদের আত্মা শান্তি পাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাটাই ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের একমাত্র লক্ষ্য ।
হাসিনা বলেন আজকে সব থেকে খুশি যে এত অল্প সময়ের মধ্যে এতগুলো পরিবারকে মধ্যে তাঁর সরকার একটা ঠিকানা দিতে পেরেছে।
তিনি বলেন আরও এক লক্ষ ঘর নির্মাণের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। এইভাবে সমগ্র বাংলাদেশে এই মুজিববর্ষে এবং স্বাধীনতা জয়ন্তীতে কোন লোক গৃহহারা থাকবে না।
শেখ হাসিনা বলেন আজকে এটা বড় উৎসব যে গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষকে আমরা ঘর দিতে পারলাম এর থেকে বড় উৎসব বাংলাদেশে আর হতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী সবার কাছে দোয়া চান যাতে বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে হিসাবে গড়ে তুলতে পারে। প্রত্যেকটা মানুষ যাতে সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে। সুন্দরভাবে জীবন জীবিকা করতে পারে। তাঁদের জীবন যেন উন্নত হয়।
তিনি বলেন বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মানুষ যেন মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে চলতে পারে।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন উপজেলায় উপকারভোগীদের সাথে কথা বলেন। উপকারভোগীরা তাঁদের অনভুতির কথা ব্যক্ত করেন এবং প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।