বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জে প্রথম করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন জেলা প্রশাসক এস, এম ফেরদৌস, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম ও সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন।
এর পরপরই নিবন্ধিত বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষকে দেয়া শুরু হয়।
জেলায় এই পর্যন্ত টিকার জন্য ১৮২৭ জন নিবন্ধিত হয়েছে। মোট ১৫টি কেন্দ্রের ২৯টি বুথে সকাল সাড়ে ১০টায় একযোগে টিকা দেয়া শুরু হয়।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে নার্সিং কলেজ কেন্দ্রে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস, পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম ও সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ একযোগে টিকা গ্রহণ করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস বলেন, কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ করা হচ্ছে তার পরবর্তী স্টেপ হচ্ছে করোনার টিকা। যেসব বিজ্ঞানী এ ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন আমাদের দেখাদেখি মানিকগঞ্জের অন্যরাও অনুপ্রানিত হবে করোনার টিকা নিতে। করোনা প্রতিরোধে সবাইকে এ ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
করোনা টিকা নেওয়ার পর পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম জানালেন, ভ্যাকসিন গ্রহণের ১৫ মিনিটের মধ্যে আমার কোনো খারাপ লাগেনি। সুস্থ থাকতে হলে এ ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত বলে তিনি গনমাধ্যমকে জানান।
টিকা নেয়ার পর জনপ্রতিনিধি জেলা পরিষদের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণ টিকার মতই এই টিকা।টিকার দেয়ার পর আমার কোন খারাপ লাগেনি। বুঝতেই পারিনি যে টিকা দিয়েছি। বিনামুল্যে যে টিকা পাওয়া যায় তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরাট অবদান।
সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে আটটি, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে আটটি, পুলিশ হাসপাতালে এক এবং উপজেলাগুলোতে তিনটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
এ ছাড়া দুটি টিম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে রির্জাভ থাকবে। প্রতিটি টিমে দুজন করে টিকাদান কর্মী ও চারজন করে স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন।
মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, জেলায় ৪৮ হাজার ডোজ করোনার ভ্যাকসিন পাওয়া গেছে।
এ পর্যন্ত জেলায় এক হাজার ৮২৭ জন অ্যাপসের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।নিবন্ধনের কাজ চলছে। সময়ের সাথে নিবন্ধনের সংখ্যাও বাড়ছে।
এদিকে টিকা নেয়ার পর কারো শরীরে কোন ধরণের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।