রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
‘নব্য ফ্যাসিবাদকে’ বিদায় জানাতে আরেকটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকুন: জামায়াত আমির জামায়াত একটি রেজিমেন্টেড পলিটিক্যাল পার্টি: মির্জা ফখরুল সরকার ইতোমধ্যে অনেক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে : জামায়াত আমির এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষাবোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্র হবে: শিক্ষামন্ত্রী যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: মির্জা ফখরুল দিল্লিতে উপদেষ্টা জাহেদকে আটকানোর ঘটনায় ভারতীয় দূতকে তলব সাবেক আইজিপি বেনজীর ইউএইতে গ্রেফতার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট : প্রধানমন্ত্রী ‘বাস্তবায়ন অযোগ্য, লুটপাটের’ বাজেট: জামায়াত

ধরলা নদীর বালুচরে চাষাবাদ!

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৫৫ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: উত্তরের সীমান্তর্বতী কুড়িগ্রামর জেলা। এ অঞ্চলে ১৬টি নদ-নদী রয়েছে। তার মধ্যে ধরলা নদী অন্যতম।

বছরের এই সময়ে ধরলায় পানি থাকে না। তাই নদীতে ছোট-বড় অসংখ্য চর জেগেছে। ধরলা বুকজুড়ে শুধুই বালুচর। ধরলা এখন মরা গাঙ। মানুষজন হেঁটে পার হচ্ছে ধরলার বুক দিয়ে।

ইরিবোরো ক্ষেত লাগানো হয়েছে ধরলা অনেক স্থানে। তবে ধরলা নদীতে তেমন কোন পানি না থাকায় ইরি-বোরো চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। ফলে অনেকেই তীরবর্তী স্থানে সেচ পাম্প বসিয়ে লাগানো ক্ষেতে পানির ব্যবস্থা নিয়েছেন ।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও রিভারাইন পিপল’র পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ জানান, মাত্র ৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ধরলা নদীটি লালমনিহাট জেলার মোগলহাটের কর্ণপুর দিয়ে প্রবেশ করেছে। ক্রমান্বয় ফুলবাড়ী উপজেলা নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরুকমন্ড দিয়ে প্রবেশ করেছে। মিলিত হয়েছে কুড়িগ্রাম সদরের মোগলবাসা এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে ।

এ দীর্ঘতম ধরলার দুই ধারে জেগে উঠেছে অসংখ্য ছোট বড় দ্বীপচর। তার মধ্যে রয়েছে ফুলবাড়ী উপজেলার চর শিমুলবাড়ী. মেকলি চর , চর ধনিরাম ,মরানদী , বাঘ খাওয়ার চর, চরবড়ভিটা. চরযতিন্দ্র নারায়ন,জোৎকৃষ্টহরি,চরপেচাই, চর-বড়লই. কুলাঘাট,পেচাই.খোচাবাড়ী ,রাঙ্গামাটি, গুয়াবাড়ীর ঘাট, চরগোরক মন্ডপ. চরখারুয়া,বোয়ালমারি ও বিলুপ্ত ছিটমহল বাঁশপেচাই, কুড়িগ্রাম সদরের জগমহনের চর, মাধবরাম, চরগ্রাম, সিতাইঝাড় ও চরকৃষ্ণ পুর ।

চর্তুদিকে ধরলা বেষ্টিত এ দ্বীপ চর গুলোতে প্রায় ৩০ হাজার লোকের বসবাস রয়েছে। নদীতে নাব্যতা না থাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা বা ডিঙ্গি নৌকা চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোমড় বেঁধে ধরলার দুই ধারে ইরি ক্ষেত লাচ্ছে কৃষক।

প্রথমে ধরলার পানি দিয়ে ক্ষেত লাগানো হলেও পানি নিচে পড়ায় এখন মাঝে মধ্যে সেচ পাম্প বসানো হচ্ছে। অনেকেই আবার ধরলার মুল স্রোতে যে পানি রয়েছে সেখানেও ক্ষেত লাগার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অথচ ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে শেখ হাসিনা কুলাঘাট ধরলা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তখন গভীর ছিল ৬০/৭০ ফুট। এখন সেখানে তার নিচেও ক্ষেত লাগাচ্ছেন কৃষক।

তবে আগাম বর্ষা দেখা দিলে ক্ষেতের ধান উঠানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। তার পড়েও মনের আনন্দে ইরিবোরো ক্ষেত লাগাচ্ছে কৃষকরা ।

ধরলায় বোরো চাষাবাদকারী সোনাইকাজী গ্রামের আব্দুল হামিদ ও শাহালম মিয়া জানান, আগে ধরলার বুকে কোন ফসল উৎপাদন করা যায়নি। এখন কষ্ট করে ক্ষেত লাগানো হয়েছে। আবহাওয়া ভাল হলে এ ক্ষেত গুলো হতে অতিরিক্তি ফসল পাওয়া যাবে।

ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মাহবুবুর রশিদ জানান ,ধরলার তীরবর্তী এলাকা গুলোতে চলতি বোরো মৌসুমে ১৮০ হক্টের জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান লাগিয়েছেন কৃষকগণ।

আবহাওয়া ভাল থাকলে এ সব জমিতে অতিরিক্ত ৫শ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com