বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটিতে লকডাউন চললেও হাটবাজার গুলোতে প্রায় কোথাও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি দূরে থাক, মানুষের মাস্ক পরতেও অনীহা। অনেকের সঙ্গে মাস্ক থাকলেও তা রেখেছেন পকেটে বা মুখের নিচে থুতনিতে। অধিকাংশের কাছে মাস্কও নেই।
এছাড়া গতবারে লকডাউনে হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহারের মানুষের মাঝে সচেতনতা দেখা গেলেও এবারের লকডাউনে সাধারণ মানুষের মাঝে কোন প্রতিক্রিয়াও নেই বললেই চলে। তাই সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তীব্রতাও জনগণের মধ্যে প্রভাব ফেলেনি।
জনসমাগম ঘটে এমন বেশকিছু স্থান ঘুরে সোমবার এ চিত্র দেখা গেছে।
তবে সকাল ৬ টা থেকে সকল প্রকার গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে, হোটেল রেস্তোরাঁতে খাবার বিক্রি ও সরবরাহ করতে পারলেও বসে খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা আছে।
ওষুধের দোকান ব্যতীত অন্যান্য সকল দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
এদিকে করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বাভিমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে সরকার।
বাংলাদেশ পুলিশ, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থা অভিযান শুরু করেছে। জেলা প্রশাসনের প্রতিনিয়ত দুইটি মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে মাস্ক না পরার অপরাধে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অপরদিকে পুলিশের পক্ষ থেকেও জেলায় মাস্ক পরার উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সকালে শহরের দোয়েল চত্ত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ সহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা মাঠে থেকে জনগনকে বাসাই থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন।
এছাড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার শহরের বনরূপা, রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত করে বারবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ সহ জনগনকে সচেতন থাকার জন্য আহবান জানান।
সোমবার সকালে তবলছড়ি বাজার, বনরূপা, রিজার্ভ বাজার ও ভেদাভেদী গিয়ে দেখা যায়, পাইকারি ও খুচরা বাজারে ক্রেতাদের ভিড়।
বেশীর ভাগ ক্রেতা ও বিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা দূরে থাক, ধাক্কাধাক্কি করেও চলতে দেখা গেছে মানুষদের।