বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় শুক্রবার ছুটির দিন হলেও শহর ও শহরতলিতে জনগণের ভিড় কিছুটা কম।
তারপরও নানা অজুহাতে তারা বাড়ির বাহিরে আসছেন। লকডাউন কার্যকর করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছেন। সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বেলা ১২টার দিকে শহরের দত্তবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
স্বাস্থ্যবিধিসহ সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে শহরের ইয়াকুবিয়া মোড়, কালিতলাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এছাড়া নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট নাছিম রেজা, ইশরাত জাহানসহ অন্যান্যরা এবং উপজেলা এলাকায় নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) আদালত পরিচালনা করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভ্রাম্যমান আদালত ৮৩ মামলায় ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও জেলার সড়ক ও মহাসড়কে ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক, ব্যক্তিগত পরিবহন চলাচল করেছে।
শহরে সকল মার্কেট, বিপনী বিতান বন্ধ রয়েছে। কঠোর লকডাউনের সাথে সাথে পাড়া-মহল্লায় প্রবেশের প্রধান প্রধান সড়কে বাঁশ, লাঠি ও বেরিকেড দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কোনভাবেই পাড়া-মহল্লার ভিতরে বাহিরের যানবাহন, রিকশা, অটো রিকশা, ইজিবাইক প্রবেশ করতে পারছেনা।
আবার পাড়া-মহল্লার লোকজনকে বের হতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
অপরদিকে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে শহরের ফতেহ আলী বাজারের মাছ ও কাঁচাবাজার শহরের নবাববাড়ি সড়কে নেওয়া হয়েছে। এই সড়কেই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাজার বসবে। সেই সঙ্গে কিছু কিছু সবজির দোকানও বসবে।
জেলা শহরে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন থেকে বিশেষ টিম কাজ করছে।
বগুড়া পৌরসভা এলাকায় বাঁশ ও লাঠি দিয়ে জনসাধারণের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। শহরের সুলতানগঞ্জপাড়া, কাটনারপাড়া, বগুড়াপাড়া, ঠনঠনিয়া, খান্দার, মালতিনগর, রহমাননগর, চেলোপাড়া ব্রীজ, উপশহর, ফুলবাড়িসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে রাস্তার প্রবেশমুখে বাঁশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া লকডাউন চলাকালে সরকারি সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা দুধ, ডিম ও গোশত বিক্রি করছেন।