বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: কঠোর বিধিনিষেধের প্রথমদিন বৃহস্পতিবার বগুড়ায় সকল দোকানপাট বন্ধ ও রাস্তা ফাঁকা ছিল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাড়িরে বের হয়নি।
সকাল থেকেই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি সদস্যরা গাড়ি নিয়ে টহল দিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স, কিছু রিকশা ছাড়া সড়কে কোন যানবাহন নেই।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জনসমাগম কম ও দোকানপাট বন্ধ।
তবে শহরের নিশিন্দারা, হাকিরমোড়, উপশহর, নামাজগড়, কালিতলা, শিববাটি, মালতিনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় কিছু দোকানপাট খোলা দেখা গেছে।
নামাজগড় এলাকায় একটি সেনিটারি স্টোর প্রায় সারাদিন খোলা রাখা হয়। অনেক চায়ের দোকানেও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিধিনিষেধের প্রথমদিন সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক ও পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুয়া শহরের জিরোপয়েন্ট সাতমাথায় আসেন।
তারা গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিধিনিষেধ কার্যকরের নির্দেশনা দেন। জেলা প্রশাসক সর্বাত্মক বিধিনিষেধ কার্যকরে বগুড়াবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, জীবন বাঁচার এ লকডাউন সবাইকে মানতে হবে। সকলের সহযোগিতা পেলে করোনাভাইরাসকে মোকাবেলা করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা যাবে।
জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক জানান, বিধিনিষেধ কার্যকরে বগুড়া শহরে ছয়জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করছেন। সেনাবাহিনীর দুটি পেট্রোল টিম ও বিজিবির দুই প্লাটুন সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
র্যাব-১২ বগুড়া স্পেশাল কোম্পানীর উপসহকারি পরিচালক জাহিদুল ইসলাম জানান তাদের দুটি টহল দল মাঠে রয়েছে।