বাংলা হেডলাইনস বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গণটিকাদান কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৩৫৭ বুথে টিকা প্রদান করা হয়।টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭১ হাজার ৪শ’ মানুষকে।
টিকা নিতে সকাল থেকেই বুথগুলোতে জনগণ ভিড় করেন। সকালে শহরের করোনেশন ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড কলেজ বুথে টিকাদান কার্যাক্রমের উদ্বোধন করেন, জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক। কোথাও কোন অব্যবস্থাপনার খবর পাওয়া যায়নি।
উদ্বোধনের সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা, সিভিল সার্জন ডা. গওসুল আজিম চৌধুরী, বগুড়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশু, পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কবিরাজ তরুণ চক্রবর্তী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান সফিক নিশিন্দারা ইউনিয়নে টিকা প্রদান উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন। এছাড়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব শেখ এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউল করিম ডাবলুসহ কাউন্সিলররা বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণটিকাদান কার্যক্রম তদারকি করেছেন।
বগুড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্র জানায়, জেলার ১২ উপজেলার ১০৯ ইউনিয়ন ও বগুড়া এবং শেরপুর পৌরসভায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা প্রদান করা হয়।
প্রতিটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে তিনটি, বগুড়া এবং শেরপুর পৌরসভার ৩০ ওয়ার্ডে প্রতিটি বুথে ২শ’ জনকে টিকা দেওয়া হয়।
সকাল থেকেই প্রতিটি বুথে ২৫ বছর ও তদুর্ধরা ভিড় করেন। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পঞ্চাশোর্ধ, নারী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী, দুর্গম এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়।

বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, ৩৫৭ বুথের প্রত্যেকটিতে দু’জন করে টিকাদান কর্মী ও তিনজন করে স্বেচ্ছাসেবক রাখা হয়।
৭১ হাজার ৪শ’ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য ছিল। তবে পরে জানা সম্ভব হবে কতজন টিকা নিয়েছেন। তিনি আরো জানান, আগামী ১৪ আগস্ট শনিবার থেকে প্রতিদিন প্রতিটি বুথে ২শ’জনকে টিকাদান করা হবে।