বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ৪নং বড়থলি ইউনিয়ন।
বিলাইছড়ি উপজেলা হতে ফারুয়া ইউনিয়ন হয়ে পায়ে হেঁটে এই ইউনিয়নে যেতে কমপক্ষে লাগবে ৪ দিন। আবার বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার বগালেক হতে পায়ে হেঁটে যেতে লাগে ২ দিনেরও বেশী।
আর এই দুর্ভোগ ও দুর্গম এলাকার কথা চিন্তা করে খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, জেলা প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সরকারের গণটিকা কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্দ্যেশে বিলাইছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগ একটি টিম আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কাপ্তাই উপজেলার বিদ্যুৎ উৎপাদন এলাকার হেলিপ্যাড হতে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে রওনা করেছেন বিলাইছড়ির বড়থলি ইউনিয়নের উদ্দেশ্যে।
এসময় বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো মিজানুর রহমান ও উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশ্মি চাকমার নেতৃত্বে ৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য এই টিমের সাথে রয়েছেন।
আর এই প্রথমবারের মতো বিলাইছড়ি উপজেলার কোন নির্বাহী কর্মকর্তার
এই ইউনিয়ন পরিদর্শনে গেলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা রশ্মি চাকমা জানান, ফারুয়া ইউনিয়নে গণটিকার প্রথম ডোজ দেয়া হলেও দুর্গমতার কারণে বড়থলি ইউনিয়নে টিকা দেয়া সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (১০ আগষ্ট) সকালে দুর্গম বড়থলি ইউনিয়নে ৬শ জনকে এই গণটিকা প্রদান করা হবে।
টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি বিলাইছড়ি স্বাস্থ্য বিভাগ হতে চিকিৎসা সেবা এবং ইপিআই কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান।
বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মিজানুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে বড়থলি ইউনিয়নের মানুষের সুবিধা অসুবিধা সচক্ষে দেখার জন্য ও ইউনিয়নের প্রকল্পসমুহ সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেয়া হলেও দুর্গমতা এবং নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কারণে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
রাঙ্গামাটি সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ সেনাবাহিনীর বিশেষ উদ্যোগের কারণে গণটিকাদান কার্যক্রম সফল করার জন্য প্রথমবারের মতো এই ইউনিয়নে যেতে পারছি।