বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
দুর্নীতি বন্ধে আগে রাজনৈতিক নেতাদের সৎ হতে হবে: আইনমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানকে নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই: জামায়াত আমির অর্থ দিচ্ছে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার, অস্থিরতার চেষ্টা করছে একটি দল : প্রধানমন্ত্রী দল ও প্রধানমন্ত্রীকে বিব্রত করতে চাইনি, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি: ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের গুঞ্জন।। মধ্যরাতে ইশরাকের ফেসবুক বার্তা শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন ।। নিহত ১০, একই পরিবারের ৬জন বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জামায়াতের অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোহাগ দেওয়ান ও কাজী মোতাহারকে অব্যহতি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ২৮৯ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস খুলনা ব্যুরো: মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে ২০১৭ সালের ১৮ মে কর্মচারী নিয়োগে জটিলতা সংক্রান্ত সংবাদ স্থানীয় দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

বোর্ড সভাপতি অতিরিক্ত সিএমএম পদত্যাগ পত্র জমা দিলে ১৯ মে নিয়োগ পরিক্ষা বাতিল করেন মহানগর দায়রা জজ।

এছাড়া সিএমএম আদালতে একটি চেকের মামলার রায়ের সংবাদ ২২মে একই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই দুটি সংবাদকে মিথ্যা ও ভূল আখ্যা দিয়ে খুলনার (সিএমএম) আদালতের তৎকালীন বিচারক এমএলবি মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ’র নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা তপন কুমার সাহা বাদি হয়ে যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ও ৬৬ ধারায় ২০১৭ সালের ১৪ জুন খুলনার দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন (নং-২৪)।

দীর্ঘ ৬ বছর পর সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) খুলনা বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন।

রায়ে দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সোহাগ দেওয়ান ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমানকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) কণিকা বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেছেন।

রায়ে বলা হয়, মামলায় দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সোহাগ দেওয়ান ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী মোতাহার রহমান’র বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস প্রদান করা হলো।  

মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি’র পরিদর্শক মোঃ আফাজ আহমেদ ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন (নং-৬২৪)।

মোট ১২জন স্বাক্ষীর ১২ জনই আদালতে তাদের স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। স্বাক্ষ্য প্রমানে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় এই দুই সাংবাদিককে ট্রাইব্যুনাল অব্যহতি প্রদান করেছেন।  

এবিষয়ে আসামী পক্ষের আইনজীবী চৌধুরী তৌহিদুর হমান তুষার বলেন, বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনালের এ রায় যুগান্তকারী। সিএমএম আদালতের নির্দেশেই মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়েছিলো। এখানে সাংবাদিকদের সংবাদ যে সঠিক ছিলো সেটাই প্রমানিত হলো। রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এই আইনজীবী।  

আসামী পক্ষের আইনজীবী অচিন্ত কুমার বলেন, সংবাদপত্রের কাজ সত্য তুলে ধরা। যে সংবাদের কারনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো, সেটি অথি উৎসাহী হয়ে করা হয়েছিলো। এ রায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলী ছিলেন পিপি এম সাজ্জাদ হোসেন ও এপিপি রোকেয়া খানম।

এবিষয়ে সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান বলেন, বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনালের রায়ে খুশি। ন্যায় বিচার পেয়েছি।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com