রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মত বাংলাদেশ-তুরস্ক আদ-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদন ইসলামী ব্যাংক উদ্ধারে বিরোধীদল মাঠে নামতে প্রস্তুত: জামায়াত আমির জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান শপিংমল-দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ মশক নিধন শিখতে ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ল জিয়ার আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল আযহা উদযাপিত রাজধানীতে ঈদ জামাতের ব্যাপক প্রস্তুতি

খরতাপে পুড়ছে খুলনা ।। মানুষের জীবন যাত্রা বিপর্যয়

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৪০ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস খুলনা ব্যুরো:  বৈশাখের খরতাপে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। খুলনা অঞ্চলের তাপমাত্রার পারদ গত ৯ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে আরও উর্ধ্বমুখি।

অস্বস্তিরকর গরমের মধ্যে শুরু হয়েছে দফায় দফায় লোডশেডিং। দুপুর, সন্ধ্যা, গভীর রাত কিংবা ভোর কোনো নিয়মই মানছে না বিদ্যুৎতের লুকোচুরি। প্রচন্ড গরমের মধ্যে দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে দুবির্ষহ হয়ে উঠেছে খুলনার জনজীবন। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মশার উৎপাত। সব মিলিয়ে সীমাহীন কষ্টের মধ্যে সময় কাটাচ্ছে খুলনার মানুষ।

খুলনার আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আমিরুল আজাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার খুলনায় তাপমাত্রা ছিলো ৩৯.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শুক্রবার খুলনায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শনিবার তাপমাত্রা ছিলো ৩৯.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

এদিকে তীব্র গরমের মধ্যে বাতাসে আর্দ্রতা কমে গেছে। রাস্তায় বের হলে আগুনের হল্কা এসে গায়ে লাগছে।  সুন্দরবনের শহরে মরুর আভা পাওয়া যাচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া দিনের বেলা কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না। অবশ্য রাতে ঘরে ফিরেও স্বস্তি থাকার উপায় নেই। দফায় দফায় লোডশেডিংয়ে রাতেও ঘেমে ভিজে নাকাল হচ্ছে মানুষ।

নগরীর শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইউসুফ হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ চলে যায়। তারাবিহ নামাজের সময় আরেক দফা গিয়েছে। রাত ২টা ২১ মিনিটে লোডশেডিং শুরু হয়ে ছিলো এক ঘণ্টা। আবার ভোর সাড়ে ৫টায় আবার লোডশেডিং শুরু হয়। এবারও বিদ্যুৎ ছিলো না এক ঘণ্টা। তিনি বলেন, প্রচন্ড গরমে ফ্যান চালিয়েও ঘরে থাকা যায় না। এর মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকলে মনে হয় ‘ভয়ংকর আজাব’ শুরু হলো। মশার যন্ত্রণায় বাইরে বসে থাকারও উপায় নেই। এই কষ্ট বলে বোঝাতে পারবো না।

ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকোর) প্রধান প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রচন্ড গরমে বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎতের চাহিদা বেড়েছে। লোড বেড়ে যাওয়ায় ট্রান্সফর্মারসহ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। এসব মেরামতে সময় লাগছে। এছাড়া সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোডশেডিং হচ্ছে। তবে পরিমানে কম।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com