শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত।। আজ সংসদে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট নারীদের জন্য পিংক বাস সার্ভিস উদ্বোধন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে ।। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নতিতে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সর্বনিম্ন ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন: মির্জা ফখরুল বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে রিজভী-আমানসহ ৪ নতুন সদস্য তারেক রহমান আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা: অর্থমন্ত্রী

ইশরাককে শপথ না পড়ালে বড় আন্দোলন হতে পারে: সালাহউদ্দিন

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫
  • ১৬০ দেখা হয়েছে

বাংলা হেডলাইনস: আদালতের রায়ে মেয়র নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে দ্রুত শপথ না পড়ালে বড় আন্দোলন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে ইশরাকের শপথ আয়োজন করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (১৯ মে) সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সিলেট বিভাগীয় বিএনপির উদ্যোগে সদস্য নবায়ন এবং প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘‘আদালতের রায়ে যিনি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। ইলেকশন কমিশন যার নামে গেজেট করেছে, আদালতের রায় মেনে তাকে আপনারা শপথ গ্রহণ করাবেন না, বিভিন্ন রকম কলাকৌশল করছেন। তাহলে এটা কি আইনের শাসন হলো? তাহলে আমরা কীসের শাসনের জন্য অপেক্ষা করছি?’’

অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, “অনির্বাচিতভাবে যতদিন খুশি অনির্দ্দিষ্টকাল ক্ষমতা ভোগ করার জন্য কেউ কেউ স্বপ্ন দেখছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে অনুরোধ করেছি, আপনি যত শিগগির সম্ভব বাংলাদেশের জাতীয় সম্মান রক্ষা হবে, দেশের মানুষ আশ্বস্থ হবে এমন ব্যবস্থা নেন। দেশের মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের চাকা ঘুরবে, বিনিয়োগের পরিবশে সৃষ্টি হবে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসবে আমরা বাংলাদেশের মানুষ সেটাই চাই।”

প্রধান উপদেষ্টার মনযোগ আকর্ষণ করে বিএনপি নেতা বলেন, “আপনার কয়েকজন উপদেষ্টা বিভিন্ন রকমের চক্রান্ত করে দেশে অস্থিরতা এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চান। তাদের সর্ম্পকে আপনাকে আমরা জানিয়েছি। আপনি সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেন। যাতে দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা পায়। যাতে কোনো রকম অস্থিতিশীল পরিস্থতি সৃষ্টি না হয়, রাষ্ট্রের মধ্যে কোনো অরাজকতা সৃষ্টি না হয়।”

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আপনি সবার সম্মানিত ব্যক্তি। কথাগুলো খুব নরমভাবে বললাম, সেজন্য নরমভাবে নেবেন সেটা হবে না। বলছি নরমভাবে প্রধান উপদেষ্টা, হয়ত আপনার কানে যেতে পারে, নাও যেতে পারে। গেলে ভাল, আর যদি আপনি কানে না তুলেন, তাহলে সবার জন্য খারাপ।

“ভাবটা এখন এমন হয়েছে আপনাদের, সব উপদেষ্টারা মনে করছেন, বাংলাদেশ পুরোটা যেন তাদের কথায় উঠবে-বসবে। তাদের মন যা চায় তা সিদ্ধান্ত নেবে এবং আমাদের মেনে নিতে হবে। আপনারা অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক রাস্তায় হাঁটছেন। আপনারা কথা বলছেন গণতন্ত্রের বিপরীত ভাষায়। কাজ করছেন আইনের শাসনের বিরুদ্ধে।’’

সংস্কারের ফল পেতে হলে নির্বাচিত সংসদের বিকল্প আছে কি-না এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “আমরা সেই কথা বললে, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার খুব নারাজ হয়। বর্তমান সভ্য বিশ্বে গণতান্ত্রিকভাবে শাসন ব্যবস্থার জন্য নির্বাচনের কি কোনো বিকল্প আছে? কেউ কেউ আছেন উপদেষ্টারা, তারা বলছেন, তারা নাকি জনগণ দ্বারা নির্বাচিত। গণঅভ্যুত্থান নাকি তাদেরকে নির্বাচিত করেছে! তারা যদি সেইভাবে নির্বাচিত হয়ে যায়, তো বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থা আছে কেন? নির্বাচন কমিশনের কাজ কী? আমরা যারা ভোট দান করতে চাই, যার জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর সংগ্রাম আর রক্ত দিলাম। তাহলে এগুলোর তো কোনো দরকার নাই?”

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছের সভাপতিত্বে এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ এম রাসেদুজ্জামান মিল্লাত, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী, এম এ মালিক, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার।

সিলেট জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা নুরুল হকের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে সভায় সূচনা হয়।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্ব) তারিকুল আলম তেনজিন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি আহ্বায়ক ফজলুল করিম ময়ুন, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুল হক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, জাসাসের কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ আরাফুল কবির খোকন।

ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের মতামত জানাতে পারেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

এই বিভাগের আরো সংবাদ
Banglaheadlines.com is one of the leading Bangla news portals, Get the latest news, breaking news, daily news, online news in Bangladesh & worldwide.
Designed & Developed By Banglaheadlines.com