বাংলা হেডলাইনস : সরকার নৌপথে যাত্রী পরিবহণে করণীয় কারিগরি নির্দেশনা প্রদান করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া ১৪ টি কারিগরি নির্দেশনা আজ শুক্রবার পিআইডি’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
নির্দেশনাগুলো মধ্যে রয়েছে যাত্রীদের অনলাইনে টিকেট ক্রয় করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, সারিবদ্ধভাবে ওঠার সময়ে এবং নেমে যাবার সময়ে যাত্রীদের পরস্পর হতে এক মিটারেরও বেশি দূরত্ব বজায়ে রাখতে হবে, এবং ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।
স্টেশনে আগত এবং নির্গত যাত্রীদের তাপমাত্রা মাপার জন্য ফেরি টার্মিনালে তাপমাত্রা নির্ধারকযন্ত্র স্থাপন করতে হবে। যথাযথ শর্তাবলী মেনে ফেরি টার্মিনালে একটি জরুরি এলাকা থাকতে হবে; যেসব যাত্রীর শরীরের তাপমাত্রা ৩৭.৩ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড বা ৯৯ ডিগ্রী ফারেনহাইট এর উপরে থাকবে, তাদের এই জরুরি এলাকায় অস্থায়ী কোয়রেন্টাইনে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনমতো চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।
বায়ুনির্গমণ পদ্ধতি যেন স্বাভাবিক থাকে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নৌচলাচলের সময়ে সর্বোচ্চ বায়ুচলাচল করতে দিতে হবে; যথাযথ তাপমাত্রা বায়ুচলাচলের জন্য কেবিনের জানালা খুলে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
ফেরি টার্মিনালগুলোতে জনগণের জন্য ব্যবহার্য এবং জনসাধারণের চলাচলের স্থানগুলোকে পরিস্কার এবং জীবাণুমুক্তকরণের হার বাড়াতে হবে। টয়লেটগুলোতে তরলসাবান (অথবা সাবান) থাকতে হবে, সম্ভব হলে হ্যান্ডস্যানিটাইজার এবং হাতজীবাণুনাশক যন্ত্র স্থাপন করা যেতে পারে।
প্রতিবার নৌযান ছেড়ে যাবার পূর্বে কেবিন ও ব্রিজের পৃষ্ঠতল পরিস্কার ও জীবাণূমুক্ত করতে হবে, সিটকভারগুলোকে প্রতিনিয়ত ধোয়া, পরিস্কার এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
যাত্রী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুরক্ষার জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে জোর দিতে হবে। মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং হাতের পরিস্কারপরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিতে হবে।
যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ এর রোগী পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ী জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
নৌপথে যাত্রীবাহী পরিবহন স্টেশনে জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে, নিরাপত্তা এবং জীবণুমুক্তকরণ পদ্ধতি মানসম্মত করতে হবে, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোভিড-১৯ এর প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে এবং মাস্ক, গ্লাভস ও জীবাণুমুক্তকরণ দ্রব্যাদির পর্যাপ্ত মজুদ থাকতে হবে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে এবং তাদের স্বাস্থ্য অবস্থা প্রতিদিন লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং যারা অসুস্থতা অনুভব করবে তাদের যথাসময়ে চিকিৎসা সেবা দিতে হবে।