বাংলা হেডলাইনস: সামনে যে সঙ্কটই আসুক না কেন আওয়ামী লীগ সরকার তা শক্তভাবে মোকাবেলা করে দেশের মানুষকে অভুক্ত থাকতে দেবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে ১১তম সংসদের বাজেট অধিবেশনে (৮ম অধিবেশন) ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটের উপর সমাপনী বক্তবে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। স্পীকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘আমি দেশবাসীকে এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই সামনে যে সঙ্কটই আসুক না কেন আওয়ামী লীগ সরকার তা শক্তভাবে মোকাবেলা করবে এবং দেশের মানুষকে অভুক্ত থাকতে দেবে না’।
‘কেননা আমাদের খাদ্য চাহিদা হচ্ছে ৩ কোটি ৭৫ লক্ষ। উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৯২ লক্ষ । ২৫ লক্ষ আমাদের উদ্বৃত্ত আছে’।
তিনি বলেন ‘আমাদের উৎপাদন আমরা অব্যাহত রাখবো কাজেই আমাদের আল্লাহর রহমতে কোন অসুবিধা হবে না’।
শেখ হাসিনা বলেন আমরা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ ধানচাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছি।
তিনি বলেন কেননা আগামী অর্থ বছরেও খাদ্যশস্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সীমিত হয়ে আসায় খাদ্যশস্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্কট ও মূল্য বৃদ্ধির আশংকা দেখা দিয়েছিল। সঙ্কটের শুরু থেকে আমি এ বিষয়ে যথেষ্ট সজাগ ছিলাম। গত একদশক আমাদের সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলে সরকারি গুদাম খাদ্যশস্য ধারণ ক্ষমতা আমরা প্রায় ২২ লক্ষ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে পেরেছি ফলে করোনা সঙ্কটের শুরুতে সরকারি গুদামে রেকর্ড পরিমাণ ১৭ লক্ষ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য শস্য মজুত ছিল।
সংসদনেতা শেখ হাসিনা বলেন দীর্ঘ ৬৬ দিন সারা দেশ ছুটি ও চলাচলে সীমিত থাকলেও আমাদের খাদ্যে কোন ঘাটতি বা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সংকট আমরা হতে দেইনি । কারণ সরবরাহটা যাতে অব্যাহত থাকে সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়ে ছিলাম। উপোরন্তও দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আমরা খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছি।