বাংলা হেডলাইনস রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটিতে এবার ৮১ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তারমধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৯,২৫২ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৭২,৪২৫ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: আরেফিন আজিম।
বুধবার (২৫ মে) রাঙ্গামাটি জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি সেবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে এবং রাঙ্গামাটি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা: আরেফিন আজিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওরিয়েন্টেশন সভায় বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি মেডিকেল অফিসার ডা: ইমরুল হাসান, প্রেস ক্লাবের প্রাক্তণ সভাপতি ও দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক একেএম মকছুদ আহমদ, রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, রিপোটার্স ইউনিটের সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা প্রমুখ।
রাঙ্গামাটি জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন আরেফিন আজিম আরো জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
৬ মাসের কম বয়সী শিশু, ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশু, ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রাপ্ত শিশু এবং অসুস্থ শিশুকে ক্যাম্পেইনের দিনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না এবং শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণ মত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়াতে হবে।
তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে। শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ায় ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।
বাংলাদেশে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টি সেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন করে থাকে। এবার রাঙ্গামাটিতে ৪ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।