বাংলা হেডলাইনস মানিকগঞ্জ: রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম প্রকাশ হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক দু:খ প্রকাশ করে বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় খাকাকালীন হয়তো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রক্ষিত কাগজপত্র মেনুপুলেট করে থাকতে পারে, সেখানে কারচুপি করে কিছু কথা লিখে যেতে পারে। যেটা আমরা কল্পনাও করিনি। সে কারণে আমাদের ভুল হয়ে গেছে, তার জন্য দু:খ প্রকাশ করছি। আর রাজাকারদের তালিকায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যে নামগুলো এসেছে, সেগুলো প্রত্যাহার করে নিবো আমরা। পরবর্তীতে জেলা ও উপজেলায় রাজাকারদের সম্পুরক যে তালিকা করা হবে তা পরিপূর্ণভাবে যাচাই- বাছাই করে করা হবে। যাতে কোন মুক্তিযোদ্ধার নাম ভুলেও প্রকাশ না পায়।
বুধবার দুপুরে মানিকগঞ্জের বিজয়মেলার মঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী আরো বলেন, আমি জানি, বল্লার চাকে হাত দিয়েছি রাজাকার-আলবদরের তালিকা প্রকাশ করে। এখন বিভ্রান্তি করে কেউ যেন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে না পারে সেদিকে সকলের নজর দিতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দেশের প্রতিটি জেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করে ১৪ হাজার বাড়ি দেওয়া হবে।
সমাবেশে যুদ্ধকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার তোবারক হোসেন লুডুর সভাপতিত্বে অন্যান্যরে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের যুগ্মসচিব আসাদুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদদীন, পৌর মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিম, বিজয়মেলা কমিটির সদস্য সচিব আবদুল মজিদ ফটোসহ মুক্তিযোদ্ধারা।
সমাবেশে জেলার সাত উপজেলার সহস্রাধিক মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেয়।